ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-22

, ১১ মহাররম ১৪৪০

যমজ ফল খেলে কি যমজ সন্তান হয় ?

প্রকাশিত: ১০:০৫ , ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ১০:০৫ , ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ডেস্ক প্রতিবেদন: আমাদের দেশে অনেক নারী রয়েছেন যারা যমজ কলা খান না। শুধু কলাই নয়, যেকোনো যমজ ফলই তারা এড়িয়ে চলেন। আর এই এড়িয়ে যাওয়া বা না খাওয়ার প্রবণতা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। দাদি-নানিদের কথার সূত্র ধরে আজও অনেক আধুনিক তরুণী যমজ কলা কিংবা যমজ ফল খেতে দ্বিধাবোধ করেন।

যমজ ফল না খাওয়ার অন্যতম কারণ, তাদের ধারণা, যারা যমজ ফল খান তাদের যমজ বাচ্চা হয়। গর্ভবতী মহিলা থেকে কুমারী বা কিশোরীরাও এই কথা জানে। যমজ ফলকে অনেকে এতই শক্তিশালী ভাবেন যে কেউ যদি জীবনে একবার যমজ ফল খেয়ে ফেলেন, তাহলে যমজ বাচ্চা তার ক্ষেত্রে জন্ম দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যায়।

তবে গবেষণালব্ধ তথ্য বলছে, যমজ কলা কিংবা যমজ কোনো ফল খাওয়ার কারণে কারো যমজ সন্তান হয় না। জরায়ুতে যমজ সন্তান হওয়ার বিষয়টি নিতান্তই প্রকৃতির খেয়াল।

অন্যদিকে যমজ সন্তান জন্ম হয় দু’টি পদ্ধতিতে।

১. মনোজাইগোটিক টুইন বা যমজ :

একই মাসে একই সঙ্গে দু’টি ডিম্বাশয় থেকে দু’টি ডিম্বাণু অথবা একই ডিম্বাশয় থেকে দু’টি ডিম্বাণু নির্গত হলে এবং প্রতিটি ডিম্বাণু একটি করে শুক্রাণুর সঙ্গে মিলিত হলে যমজ সন্তান উৎপাদন হয়। এ ক্ষেত্রে দু’টি ছেলে অথবা দু’টি মেয়ে অথবা একটি ছেলে ও একটি মেয়ে হতে পারে। এদের গায়ের রং, চোখের রং, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ভিন্ন হওয়ার পাশাপাশি রক্তের গ্র“প একই অথবা ভিন্নতর হতে পারে। আর এ কারণেই এদের একে অপর থেকে সহজেই শনাক্ত করা যায়।

২. ডাইজাইগোটিক টুইন বা যমজ :

এ ক্ষেত্রে একই সঙ্গে ডিম্বাশয়ের যে কোনো একটি থেকে মাত্র একটি ডিম্বাণু নির্গত হয় এবং শুধু একটি এককোষ জাইগোট তৈরি হয়। পরে কোষসংখ্যা বৃদ্ধির জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমান দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে, দু’টি যমজ সন্তান উৎপন্ন হয়ে থাকে। এভাবে দুই বা ততোধিক যমজ সন্তান হতে পারে। এদের গায়ের রং, চোখের রং, লিঙ্গ, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এমনকি রক্তের গ্র“পও হুবহু একই হয়ে থাকে। এরা প্রয়োজনে একজন আরেকজনকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দান করতে পারে। এদের বাহ্যিক চেহারার সম্পূর্ণ মিল থাকায় অনেক সময় বাবা মা-ও শনাক্ত করতে পারেন না কে কোনজন।

কাজেই যমজ সন্তান জন্ম নেওয়ার ব্যাপারে যমজ কলা কিংবা অন্য কোনো যমজ ফলের কোনো ভূমিকা কীভাবে থাকে ? যমজ ফল যমজ সন্তানের জন্ম দেয়- এ রকম ধারণাকে সঠিক বলে মেনে নেওয়ার সপক্ষে একটিও বৈজ্ঞানিক যুক্তি নেই।

 

এই বিভাগের আরো খবর

বাচ্চাকে চা দিচ্ছেন? 

ডেস্ক প্রতিবেদন:  বাড়িতে পরিবারের লোকজনকে দেখেই বাচ্চারাও চা পান করতে বায়না ধরে। এতে অনেক সময় বাধ্য হয়েই বাচ্চাদের চা দিতে হয়। কিন্তু এই...

জটিল অসুখ সারায় কালমেঘ

ডেস্ক প্রতিবেদন: কাজের চাপে কিংবা বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে আমরা সঠিকভাবে শরীরের যত্ন নিতে পারিনা। অনিয়মিত খাবার দাবার, ঘুমের অভাব,...

খুশকি থেকে বাঁচুন

ডেস্ক প্রতিবেদন: চুলের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে খুশকি একটা বিরাট সমস্যা। অত্যধিক চুল ঝরা, রুক্ষ চুল, বিভিন্ন ধরনের স্ক্যাল্প ইনফেকশন জন্য...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is