ঢাকা, বুধবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৯, ৩ মাঘ ১৪২৫

2019-01-17

, ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০

পাবনায় চিহ্নিত হয়নি বড়াল নদের দখলদাররা

প্রকাশিত: ০৫:৫৬ , ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০৮:২২ , ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনায় বড়াল নদ রক্ষায় বাঁধ অপসারণ ও সেতু নির্মাণের কাজ চললেও নদের সীমানা নির্ধারণ করে চিহ্নিত করা হয়নি দুই পাড়ের দখলদারদের। ফলে থামছে না নদ দখল আর অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ। নাব্য সংকটেও বড়ালে কমেছে পানিপ্রবাহ। নদটি রক্ষায় সীমানা নির্ধারণ ও দখলদারদের উচ্ছেদের পাশাপাশি পানিপ্রবাহ বাড়ানোর তাগিদ জানিয়েছেন স্থানীয় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

দখল আর নাব্য সংকটে হারিয়ে যেতে বসেছিলো পাবনার বড়াল নদ। চাটমোহর উপজেলার এই সুপরিচিত নদকে বাঁচাতে ২০০৮ সালে আন্দোলনে নামে তীরের লাখো বাসিন্দা। আন্দোলনের মুখে নদের প্রাণ ফেরাতে ২০১৬ সাল থেকে কাজ শুরু করে সরকার। নেয়া হয় বাঁধ অপসারণ ও সেতু নির্মাণসহ নানা উদ্যোগ।

তবে নদের সীমানা নির্ধারণ না করায় থামানো যাচ্ছেনা দুই পাড়ের অবৈধ দখলদারদের। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালীরা নদীর পাড় দখল করে গড়ে তুলছে স্থাপনা। অভিযোগের জবাবে স্থাপনার মালিকরা জানালেন, নিজেদের জমিতেই নির্মাণ কাজ করছেন তারা।

এদিকে, নাব্যতা রক্ষায় করণীয় প্রসঙ্গে বড়াল রক্ষা কমিটি বলছে, রাজশাহীর চারঘাট থেকে সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি পর্যন্ত নৌপথে অন্তর্ভুক্ত করলে বড়াল নদকে সচল রাখা সম্ভব।

অন্যদিকে, চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার অসীম কুমার জানালেন, বড়াল নদ রক্ষায় এর দখলদারদের যত দ্রুত সম্ভব উচ্ছেদ করা হবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সম্মিলিত উদ্যোগে বড়াল নদ ফিরে পাবে প্রাণ, রক্ষা পাবে তীরবর্তী অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য আর জনপদ।

 

এই বিভাগের আরো খবর

নির্বাচন নিয়ে টিআইবি’র প্রতিবেদন একপেশে: তথ্যমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে টিআইবি’র প্রকাশিত প্রতিবেদন একপেশে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।...

অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে মেহেরপুরের সরকারি কৃষি বিপনন কেন্দ্রগুলো

মেহেরপুর প্রতিনিধি: মেহেরপুরের সরকারিভাবে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কৃষি ও জেলা মার্কেটিং বিভাগের কৃষি বিপণন কেন্দ্রগুলো পড়ে আছে অযতœ আর...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is