ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-21

, ১০ মহাররম ১৪৪০

কয়েক যুগের জনপদ রেললাইনের ধারের বস্তি,যেন ভুমিহীনের আবাসন

প্রকাশিত: ১০:১৭ , ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০৫:৫৭ , ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: একই জেলা, কিংবা নগর বা শহরের বাসিন্দা হয়েও দেশে বেশ কয়েক লক্ষ মানুষের যাপিত জীবন একেবারেই আলাদা। যাদের জন্য বাচ্চাদের খেলা, অতিথির সাথে বসে গল্প করা অথবা খানিকটা পায়চারি বা হাঁটাচলা করার স্থান বলতে রেল গাড়ি যাবার লাইন। রেল লাইন যেন তাদের ঘরের উঠান। কেননা ওরা ঘর বেঁধেছে রেল লাইন ঘেঁষে। যুগ যুগ ধরে গড়ে ওঠা এই জনবসতি রেল লাইনের ধারের বস্তি হিসেবে পরিচিত। যাদের জীবন মূলধারার মানুষের দৃষ্টি সীমার বাইরে থাকে।
    
রেল লাইনের ধার ঘেষে গড়ে ওঠা বস্তি নিয়ে আলোচনা, সমালোচনা, অভিযোগ নতুন নয়। দেশের পপ সঙ্গীতের সম্রাট বা গুরু খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আজম খানের গানেও ঠাই পেয়েছে এই বসতির কথা।
দেশে রেল লাইনের ধারে গড়ে ওঠা বস্তির পুরো চিত্র রেল বিভাগের কাছেও নেই। তবে নরায়ণগঞ্জ, ঢাকা, গাজীপুর হয়ে টাঙ্গাইল পর্যন্ত এমন বস্তির অস্তিত্ব আছে। দেখা যায় চট্টগ্রামেও। যুগের পর যুগ ধরে গড়ে উঠলেও এগুলো থাকবার কথা নয় রেলের কেতাবী নিয়ম অনুযায়ী।

বিশ্বে এবং বাংলাদেশে এমন বস্তির গোড়াপত্তন কবে তার সুনির্দিষ্ট ইতিহাস পাওয়া যায়নি। নগরবিদরা জানান, ১৮২৫ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ডে বিশ্বের প্রথম যাত্রীবাহি রেলওয়ে চালুর পর নানা স্বার্থে দরিদ্র্য ও ভুমিহীন জনগোষ্ঠি মাথা গুজবার ঠাই হিসেবে রেল লাইনের পাশেই  গড়ে তোলে অস্থায়ী ঘড়বাড়ি। সেটাই শুরু।
আর বাংলাদেশে ঘটে ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ও ভারত ভাঙ্গার পর। ধারণা করা হয়, ভারত থেকে শূণ্য হাতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান অর্থাৎ বাংলাদেশে আসা দরিদ্র পরিবারগুলো রেল লাইনের পাশে আশ্রয় নিতে শুরু করে।  
রেলওয়ের ঢাকা বিভাগের জমি ১৬ হাজার ৭শ একর। তার মধ্যে রেল লাইনকে কেন্দ্র করে বস্তি রয়েছে ৫শ’ একর জায়গায়।
অনেক নেতিবাচক দিক প্রায়ই আলোচিত হলেও এমন বস্তির মানুষের যে দেশ স্বাধীনের মতো ঐতিহাসিক অধ্যায়েও গৌরবজনক ভূমিকা রয়েছে সেসব কথা পড়ে আছে নিভৃতে।

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is