ঢাকা, শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-17

, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

আনরোয়া’কে অকেজো করতেই সাহায্য বন্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র: আব্বাস

প্রকাশিত: ০৭:০১ , ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০৭:০১ , ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তু সংস্থা-আনরোয়া’র প্রতি সব সাহায্য বন্ধের যে সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র নিয়েছে, তার একটাই লক্ষ্য, আর তা হলো এই সংস্থাকে পুরোপুরি অকেজো করে দেওয়া। এ কথা বলেছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। তবে আনরোয়া’র প্রধান পিয়ের ক্রায়েনবুল বলেছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে সংস্থাটি সংকটে পড়লেও ঘাটতি পূরণে সক্ষম হবে বলে তিনি মনে করেন।

গত সপ্তাহে এক সিদ্ধান্তে ট্রাম্প প্রশাসন আনরোয়া’র জন্য বার্ষিক ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের যে অনুদান দিয়ে থাকে, তা পুরোপুরি বন্ধের কথা ঘোষণা করে। ৭০ বছরে বেশি সময় ধরে এই সংস্থা ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের জন্য জরুরি ত্রাণ ছাড়াও খাদ্য, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সাহায্য দিয়ে আসছে। বর্তমানে এই সংস্থার সঙ্গে রেজিস্ট্রিকৃত ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুর সংখ্যা ৫৩ লাখের মতো। অধিকৃত পশ্চিম তীর ও গাজা ছাড়াও জর্ডান, সিরিয়া ও লেবাননে এই ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, আনরোয়ার কারণে উদ্বাস্তুদের মধ্যে ত্রাণ গ্রহণ একটি অভ্যাসে পরিণত করেছে। দেশটি আরও দাবি করেছে, মোট উদ্বাস্তুর সংখ্যা আরও কম।

উদ্বাস্তু সমস্যা টিকিয়ে রাখার জন্য আনরোয়াকে দায়ী করে যে বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্র দিয়েছে, তা প্রত্যাখ্যান করে ক্রায়েনবুল বলেন, এই সমস্যা টিকে থাকার একমাত্র কারণ ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধানে আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর ব্যর্থতা। অনুদান বন্ধে মার্কিন সিদ্ধান্ত একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, এর সঙ্গে আনরোয়া’র ভূমিকার কোনো সম্পর্ক নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অধিকাংশ ফিলিস্তিনি জীবনধারণের প্রয়োজন মেটাতে এই সংস্থার ওপর নির্ভরশীল। অধিকাংশ ফিলিস্তিনি শিশু আনরোয়া পরিচালিত স্কুলে অধ্যয়ন করে থাকে। পশ্চিম তীরের একজন ফিলিস্তিনি মা সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘‘এসব স্কুল বন্ধ হয়ে গেলে আমাদের ছেলেমেয়েরা কোথায় লেখাপড়া শিখবে, আমরা জানি না।’’

যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত চাপ সত্ত্বেও ফিলিস্তিনিরা নতিস্বীকার করবে, এ কথা ভাবার কোনো কারণ নেই। প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন বা পিএলওর সাধারণ সম্পাদক সায়েব এরেকাত যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের সমালোচনায় বলেছেন, ‘‘এখন তো আমাদের হারানো আর কিছু নেই, তাদের সঙ্গে আমরা কোনো রকম আলাপ-আলোচনায় কেন যাব?’’  

তিনি আরও জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালনের যোগ্যতা যুক্তরাষ্ট্র হারিয়েছে।

সে কথা সমর্থন করে একজন ইউরোপীয় কূটনীতিক বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, প্রধান আর্থিক দাতা হিসাবে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বড় প্রভাব ছিল। এখন অর্থ সাহায্য বন্ধ করে দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র সেই প্রভাব হারাল।

এই বিভাগের আরো খবর

গাঁটছড়া বাঁধলেন দিপীকা-রনবীর

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: গাঁটছড়া বাঁধলেন বলিউড হার্টথ্রব দিপীকা পাড়–কোন ও সুপারস্টার রনবীর সিং। ইতালির লেক কোমোতে বুধবার কন্নড় রীতিতে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is