ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫

2018-11-13

, ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

শহরগুলোর চাইতে জেলা-উপজেলায় স্বাস্থ্যখাতে অবৈধ বাণিজ্য বেশি সহজ

প্রকাশিত: ০৯:৫৯ , ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০৩:১৮ , ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: মহানগর ও শহরগুলোর চাইতে জেলা উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যখাতে অবৈধ বাণিজ্য বেশি সহজ বলে সরকারের সংশ্লিষ্টদের পর্যবেক্ষণ। মানুষের বাঁচা মরার সাথে সম্পর্কিত স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা খাতের শুধুই টাকা হাতিয়ে নেবার জন্য অনৈতিক উপায়ে বাণিজ্যের মনোভাব বড় বড় দুর্ঘটনার জন্ম দিচ্ছে।  
অতি সাম্প্রতিক আলোচিত বেসরকারি হাসপাতালটি চট্টগ্রাম মহানগরে। ভুল চিকিৎসায় প্রান গেছে এক শিশুর। শোরগোল হলে তদন্তে বেরিয়ে আসে এই হাসপাতালটির বৈধ অনুমোদনই নেই। এমন ঘটনা অতীতে খুঁজলে আরও পাওয়া যায়। কিšতু, দূর্ঘটনা ঘটার আগ অব্দি এ ধরনের অবৈধ হাসপাতাল , ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারগুলো পরিচালিত হয় বিনা বাঁধায়।
মহানগর বা শহর ছাড়িয়ে জেলা উপজেলা পর্যায়ে গেলে এমন অবৈধ বানিজ্যের চিত্র আরও ভয়াবহ। পর্যবেক্ষকরা বলেন, মাঠ পর্যায়ে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ন অনুমোদনহীন সংস্থা ব্যঙের ছাতার মত গড়ে উঠে। গাইবান্ধা জেলার সিভিল সার্জন দপ্তরের তথ্য মতে, এখানের সাত উপজেলায় একশ বাষট্টিটি ক্লিনিক ডায়াগনষ্টিক সেন্টার আছে। অনুমোদন আছে মাত্র ৯০ টির।
কুমিল্লা জেলায় এমন অবৈধ বানিজ্যের জন্য গড়ে উঠা হাসপাতাল ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের সংখ্যা শতাধিক। এগুলোর সুযোগ সুবিধা ও সেবার হাল দেখলে আঁৎকে উঠার মত। গ্রামের সাধারন মানুষ আসে বলে তারা কিছু বুঝতে পারেনা।
পটুয়াখালি ও লক্ষীপুর জেলায় এমনি করে প্রতিদিন শত সহস্র রোগী প্রতারিত হচ্ছে স্বাস্থ্যখাতের অবৈধ বানিজ্যের আয়োজনের কাছে। এসব জেলায় বৈধ বেসরকারি আয়োজনের থেকে অবৈধই বেশী। এমনকি এজন্য ডাক্তারদের নেতাও দায়ী।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখোমুখি হলে তারা কেবলই অসহায়ত্বের কবথা প্রকাশ করে।
স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্টদের অনেকেই মনে করেন এ ধরনের অবৈধ বানিজ্য দেশের চিকিৎসা সেবা সম্পর্কে শুধু নিজেদের জনগনের মধ্যেই নয়, দেশের বাইরেও নেতিবাচক ধারনা  তৈরী করছে। যা স্বামর্থবানদের চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী করে।

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is