ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-16

, ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

বৈধ’র চেয়ে দেশে অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যাই বেশি

প্রকাশিত: ০৯:৫১ , ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০৩:১৭ , ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশজুড়ে অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের সংখ্যা এ ধরনের বৈধ প্রায় ১৭ হাজার প্রতিষ্ঠানের সমান। এমন উদ্বেগের হিসাব দিয়েছে খোদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এমন বিপজ্জনক আয়োজন বছরের পর বছর টিকে থাকলেও এর বিরুদ্ধে প্রতিকার নেই বললেই চলে। এমন অবৈধ বাণিজ্য সফল করতে যোগসাজস থাকে সরকারি হাসপাতালের নানা পর্যায়ের চিকিৎসক ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের সঙ্গে।
পঞ্চাশোর্ধ মরিয়ম বেগম ডায়াবেটিস ও কিডনি সমস্যার জন্য ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নেন। প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা এখানেই হওয়ার কথা। কিন্তু ঘটছে তার উল্টোটা।
সাত বছরের শিশু সাবিহা জ্বরের চিকিৎসায় বোনের সাথে এসেছে এখানে। রক্তের এমন একটি পরীক্ষা চিকিৎসক তাকে বাইরের  সুনির্দিষ্ট একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে করাতে বলেছে যা এই হাসপাতালেই করার আয়োজন আছে।
সেবার সুযোগ আছে তারপরও সরকারি হাসপাতালে ডাক্তার বা অন্য কর্মীরা কেন বাইরের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে পাঠিয়ে দিচ্ছে রোগীদের, এর উত্তরে অনৈতিক বানিজ্যিক সুবিধা পাওয়ার চর্চার কথা বেরিয়ে আসে। যা স্বাস্থ্যখাতে অবৈধ বানিজ্যকে উৎসাহিত করছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কোনো কোনো চিকিৎসক রোগীর পরীক্ষার জন্য বাইরের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পাঠানোর কারন ব্যাখ্যা করেন। তবে তাদেরই কোনো কোনো সহকর্মী পাল্টা চিত্রটাও বলেন।
বাইরের সাইনবোর্ড দেখলে যে কেউ মনে করবে এটি একটি যথার্থ বড় হাসপাতাল। কিšতু এর চারপাশের এবং ভেতরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তা বলছেনা। তবে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি তাদের কাগজপত্র ঠিক আছে।
এই বেসরকারি হাসপাতালে ভাল চিকিৎসার জন্য পয়ত্রিশ বছরের এই রোগীকে পাঠানো হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে। এখানে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যুক্ত এই ব্যক্তির নিজে যা বললেন তাতে স্পষ্টই বোঝা যায় এসব কাজের জন্য সে মোটেই যোগ্য যথার্থ ব্যাক্তি নয়।
এমন অনিয়মে ভরা ও অবৈধ প্রতিষ্ঠান কত আছে স্বাস্থ্যখাতে তার একটি অনুমান নির্ভর হিসাব দিচ্ছে সরকারের এই খাত নিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
খোদ রাজধানী শহরেই এমন রমরমা অবৈধ বানিজ্য যখন চলছে তখন দেশের অন্য জেলা উপজেলা পর্যায়ে এ ধরনের চর্চা কতটা অবাধে সম্ভব তা সহজেই অনুমেয়।

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is