ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-25

, ১৪ মহাররম ১৪৪০

সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে বিকল অনেক প্রয়োজনীয় যন্ত্র

প্রকাশিত: ০৯:৪৬ , ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০৩:১৬ , ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাধারণ মানুষের অর্থে পরিচালিত হয় দেশের সরকারি হাসপাতালগুলো। সেখানে যখন কোনো অনিয়ম কিংবা অসদুপায়ে অর্থ হাতিয়ে নিতে নানান চক্র গড়ে উঠে তা একদিকে, জনগণের সাথে প্রতারণার সামিল। অন্যদিকে, হাসপাতালগুলোতে কাঙ্খিত স্বাস্থ্যসেবার মানকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। এসব থামাতে রাষ্ট্র পরিচালনাকারীদের সদিচ্ছা জরুরি বলে পর্যবেক্ষদের মত।
দেশের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা শিক্ষার জন্য শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা মেডিকেল কলেজের খ্যতি। এখানে ভবিষ্যতের মেধাবী চিকিৎসক তৈরী করতে শিক্ষার্থীদের হাতে কলমে শিক্ষা বিশেষ গুরুত্বপূর্ন। তাই দরকার নানা ধরনের যন্ত্রপাতি। অথচ সেসবের বেশীরভাগই বছরখানেক ধরে নষ্ট। ক্যান্সার নির্ণয় পদ্ধতির জ্ঞান দিতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রটি অকেজো হওয়ায় হাতেকলমের এই শিক্ষা বন্ধ রয়েছে অনেকদিন ধরে। এর পেছনে আছে অসাধু চর্চা।
এখানের শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ জ্ঞান অর্জনের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। অথচ এই হাসপাতালের যন্ত্রপাতিগুলোর বেহাল দশা জানলে আঁৎকে উঠেন সবাই। চোখের চিকিৎসার জন্য এই যন্ত্র কিনতে ব্যয় হয় অর্ধ কোটি টাকা। কিন্তু এটি অকেজো। প্রায় ছয়মাসে একবারও ব্যবহার করা যায়নি। এই বিভাগের আরেকটি যন্ত্র দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার যোগ্য নয়।
এখানে যন্ত্রপাতি ক্রয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে নানা বিতর্ক ও অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও রোষানলে পড়ার ভয়ে কর্তৃপক্ষের কেউ এ প্রসঙ্গে প্রকাশ্যে কথা বলতে নারাজ। আবার হাসপাতালেরই যেই প্রভাবশালী কর্মকর্তা এই ক্রয়গুলো করেন তিনিও ক্যমেরার সামনে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০১২ সালে ক্যান্সার চিকিৎসার এই যন্ত্র কেনা হয়। এখন পর্যন্ত ছয় বছরে প্যাকেট খুলে যন্ত্রটি বের করা হয়নি। ফেলে রাখা হয়েছে হাসপাতালের বাইরে। ব্যবহারের মেয়াদ হয়েছে উর্ত্তীর্ন।
সারাদেশে ৫৫ টি সরকারি হাসপাতালে যন্ত্রপাতি ক্রয়ের ৫০ ভাগ হয় কেন্দ্রীয় ওষুধগারের মাধ্যমে, আর বাকী ৫০ ভাগ হাসপাতালগুলো নিজেরাই করে. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য। কিন্তু বিপুল অঙ্কের এসব ক্রয় থেকে টাকা হাতিয়ে নেবার মানসিকতা ওপেন সিক্রেট ব্যাপার।

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is