ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-20

, ৯ মহাররম ১৪৪০

স্বাস্থ্য খাতের নানান অনিয়ম ঝুঁকিতে ফেলছে সেবা প্রত্যাশীদের

প্রকাশিত: ০৯:৩৫ , ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০১:১৪ , ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা খাতে নানান অনিয়ম ও অবৈধ বাণিজ্য প্রতিনিয়ত ঝুঁকি তৈরি করছে মানুষের জন্য। দেশের সর্বত্রই এ ধরনের অনাকাঙ্খিত কর্মকান্ড বছরের পর বছর ধরে চলে আসলেও তার বিরুদ্ধে তেমন কোনো পরিকল্পিত কার্যকর ব্যবস্থা দৃশ্যমান নয়। ফলে একদিকে এই খাতে সেবা প্রত্যাশিরা বঞ্চনা ও প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। অন্যদিকে অসাধু ব্যক্তিরা অবৈধ পন্থায় হাতিয়ে নিচ্ছে সাধারণ মানুষের বিপুল পরিমাণ অর্থ।
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা খাতে সেবা প্রত্যাশীদের মুল নির্ভরতা ওষুধের উপর। রোগীরা চিকিৎসক ও ওষুধের দোকানে বিক্রেতাদের মুখের কথা বা পরামর্শের উপর নির্ভর করে অন্ধের মত ওষুধ সেবন করেন। অথচ এই ওষুধ উৎপাদনের ক্ষেত্রে দেশে বড় ধরনের অনিয়ম ও অবৈধ বানিজ্য বড় ঝূঁকিগুলোর একটি।
কেন দেশের ওষুধ বানিজ্যে অনিয়ম ও অবৈধ চর্চা অনুপ্রবেশ করলো এবং বি¯তৃত হলো তা নিয়ে আছে সংশি¬ষ্ট খাত বিশেষজ্ঞদের নানান মত ও পর্যবেক্ষন।
বর্তমানে বৈধ বেসরকারি ওষুধ কোম্পানীর সংখ্যা প্রায় ২৪০ টি। ৫০ টি প্রতিষ্ঠানের ওষুধ দেশের বাজারে নিয়মিতভাবে পাওয়া যায়। বিস্ময়ের ব্যাপার হলো বাকী ১৯০ টি ওষুধ কোম্পানির ওষুধ কোথায় যায় তা নিয়ে স্বাস্থ্যখাতের পর্যবেক্ষকরাই প্রশ্ন তুলছেন।
দেশে ১৭০০ ধরনের ওষুধ উৎপাদন হয়। ১৯৮২ সালের স্বাস্থ্যনীতি অনুসারে সব ধরনের ওষুধের দাম এক সময় ছিলো সরকার নিয়ন্ত্রিত। কিন্তু ১৯৯৫ সালে এই নীতি পাল্টে শুধু ১১৭ টি ওষুধের উপর সরকারের এই নিয়ন্ত্রন রেখে বাকী দেড় হাজারের বেশী ওষুধের ক্ষেত্রে বানিজ্যক প্রতিযোগীতার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়। এখানেই বিপদ ঘটেছে বলে সংশি¬ষ্ট নীতি বিশে¬ষকদের পর্যবেক্ষন।
দেশজুড়ে ২ লাখ বৈধ ফার্মেসীর বাইরে হিসাব ছাড়া অবৈধ ফার্মেসীগুলো ভেজাল ও নিন্মমানের ওষুধ বানিজ্যের বড় সহায়ক। সব বুঝেও অসহায় নিয়ন্ত্রনকারী সংস্থা।
ভেজাল ও নিম্মমানের ওদ্ধুধের বিরুদ্ধে হুঙ্কার ও অভিযান চলে কখনও কখনও । কিন্তু আকুতি আছে ওষুধ নিয়ে অনিয়ম ও ঝুঁকিপূর্ন বানিজ্য স্থায়ীভাবে বন্ধ করার।

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is