ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-16

, ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

পূঁজিবাজারে দু’টো বড় ধ্বস তৈরি করেছে আতংক ও আস্থাহীনতা

প্রকাশিত: ০৯:০৬ , ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ১২:৫৩ , ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: একসময় খেলা বা সিনেমার কাগুজে টিকেট বিক্রি হতো খোলা আকাশের নিচে হাঁক দিয়ে। ১৯৭৬ সালে স্বাধীন দেশে পুনরায় শেয়ারবাজার যাত্রা শুরু করলে শেয়ার বেচা-কেনার পদ্ধতিটাও প্রথম ২২ বছর ছিল সেরকম  সনাতনী। ১৯৯৮ সালে প্রযুক্তির ব্যবহার ঘটিয়ে শেয়ার বেঁচা-কেনায় স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি চালু হয়। ক্রমেই বড় হয়েছে এই পূঁজিবাজার, বেড়েছে কোম্পানির সংখ্যা, মূলধন, সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও সম্পৃক্ততা। তবে অন্তত দু’দফা বাজারে মূল্য ধ্বসের ঘটনা বড় কষ্ট হয়ে আছে।

আর দশটা বাজারের মতই শেয়ার বাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতা থাকে, বেচা-কেনা হয় নির্ধারিত প্রক্রিয়ায়।

১৯৭৬ সালে ৯টি তালিকাভূক্ত কোম্পানি নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও শেয়ারবাজারে এখন কোম্পানির  সংখ্যা প্রায় ৬’শ। নানা উত্থান-পতনের ভেতরেই বাজারে মূলধন বেড়েছে ৩’শ গুন। ।

১৯৯৩ সালের আগের পুঁজিবাজারকে বলা হয় অভিভাবকহীন। ১৯৯৩ সালে পূঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠন হয়। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানি ও সিকিউরিটিজ বাজারে তালিকাভূক্ত হয়। এতে দ্রুত বাজার ফুঁলে-ফেঁপে ওঠে। কিন্তু ১৯৯৬ সালে বাজারে প্রথম ধ্বস নামে ফটকাবাজদের কারসাজির কারণে।

১৯৯৬ সালের উত্থান-পতনে অনেকে ধণাঢ্য ও সর্বশান্ত হয়। ব্যাপক প্রচার পায় শেয়ারবাজারের ঘটনা। সাধারণ মানুষ পরিচিত হয়। অনেক অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবী, গৃহিনী, বেকার যুবক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ছাত্রসহ নানা স্তরের মানুষ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ শুরু করে।

দ্বিতীয় দফায় বাজার অস্বাভাবিক চড়া হয়ে আবার চরম ধ্বস নামে ২০১০ সালে। এতে অনেকে বিপুল মুনাফা করেন, আবার হাজার হাজার বিনিয়োগকারী নিঃস্ব হয়। হতাশায় আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটে। ১৯৯৬ সালে প্রথম ধ্বসে লেনদেন ব্যাপক বাড়লেও পরের বছরই কমে যায়। কিন্তু বাজার আবার দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায়, বিনিয়োগকারীরা ফিরে আসে। তবে, ২০১০ সালে দ্বিতীয় ধ্বসের পর আট বছরে এখনও বাজার ফিরেনি কাংখিত অবস্থায়।

প্রতিটি ধ্বসের পর নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে, করা হয়েছে নতুন নতুন আইন। কিন্তু পুরো ঠেকানো সম্ভব হয়নি অনিয়ম।

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is