ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-20

, ৯ মহাররম ১৪৪০

চরম উত্থান-পতন ও আশা-নিরাশার এক জগতের নাম শেয়ারবাজার

প্রকাশিত: ০৯:০১ , ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ১২:৫৪ , ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বাণিজ্য খাতে চরম উত্থান-পতন এবং আশা-নিরাশার এক জগতের নাম শেয়ার বাজার। বিশ্বে এই বাজারের ধারণার উদ্ভব ১৮ শতকের শুরুর দিকে শিল্প বিপ্লবের সময়। তবে, দেশে শেয়ার বাজারের যাত্রা শুরু স্বাধীনতার আগে ১৯৫৬ সালে। গত কয়েক দশকে চরম উত্থান-পতন ও নানা অনিয়ম-অনিশ্চয়তার জন্য বার বার আলোচনায় উঠেছে শেয়ার বাজার। লাখ লাখ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর সম্পর্ক রয়েছে এই বাজারের সঙ্গে।

কিছু ব্যক্তির উদ্যোগ ও বিনিয়োগে গড়ে ওঠা কোন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ক্ষুদ্র বিনিয়োগের অর্থ সংগ্রহ করে প্রতিষ্ঠানের বড় পূঁজি সংগ্রহ করা হয়। এতে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান যেমন উপকৃত হয় তেমনি ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরাও আর্থিক লাভের মুখ দেখেন। তাই বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য জগতে শেয়ারবাজারের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

বৃটিশ উপনিবেশকালে ভারত উপমহাদেশে বিদেশিদের হাত ধরে শেয়ারবাজারের যাত্রা শুরু হয়। কলকাতায় ১৯০৮ সালে দি ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা হয়, যা দক্ষিণ এশিয়ার সর্বপ্রথম শেয়ারবাজার।

১৯৫৪ সালে আটজন ব্যবসায়ীর হাত ধরে বাংলাদেশে শেয়ারবাজারের যাত্রা শুরু। তবে কার্যক্রম শুরু হয় তারও দু’বছর পর, দ্য ইস্ট পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ এসোসিয়েশন লিমিটেড নামে নারায়ণগঞ্জের কো-অপারেটিভ ভবনে। এর দুই বছর স্থানান্তরিত হয় ঢাকার মতিঝিলে। ১৯৬৪ সালে নাম পরিবর্তন করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড রাখা হয়। তখন ব্যবসা হতো করাচি স্টক এক্সচেঞ্জের সাথে ।

সেই সময় শেয়ার ব্যবসা করতো অল্প কিছু উচ্চ শিক্ষিত ব্যবসায়ীরা। বিনিয়োগকারীর ছিল ২ হাজারের মত আর তালিকাভূক্ত কোম্পানির সংখ্যা ছিল ২’শর মত।

একাত্তরে স্বাধীনতার পর সকল বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান জাতিয়করণ করা হলে শেয়ার বাজার বন্ধ হয়। ১৯৭৬ সালে দেশ মুক্তবাজার অর্থনীতিতে প্রবেশ করে, আবার চালু হয় শেয়ার বাজার। আর ১৯৯৫ সালে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ গড়ে উঠার মধ্য দিয়ে দেশে দুটি স্টক মার্কেট পান বিনিয়োগকারীরা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is