ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-21

, ১০ মহাররম ১৪৪০

ষোল বছরে বাঘ নিয়েছে ২৬০ প্রাণ, নেই কোনো পরিসংখ্যান

প্রকাশিত: ০৯:৪৭ , ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০১:২৮ , ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুন্দরবনে বাঘ সংরক্ষণের চেষ্টা শুরু হবার পর থেকে কিছু পরিসংখ্যান সংগ্রহের উদ্যোগ নেয় বন বিভাগ। গেল ১৬ বছরের হিসেবে, ২’শ ৬০ জন মানুষ নিহত হয়েছে বাঘের মুখে, আর বাঘ মরেছে ৩২টি। কিন্তু প্রায় একই সময়ে শতাধিক বাঘের চামড়াসহ হাড়গোর উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসেবে সুন্দরবন কেন্দ্রিক অবৈধ ব্যবসায়ীরা বাঘ মারতে আসে। তবে, অতীতের চেয়ে গ্রামীণ জনপদে বাঘের আক্রমণ কমেছে। বাঘ ছাড়াও আছে, কুমিরের পেটে হারিয়ে যাবার ভয়, আছে এমন ঘটনাও। তবে, নেই কোনো পরিসংখ্যান।

এসব গ্রামীণ জনপদের যে নারীরা বাঘের মুখে স্বামী হারিয়েছেন, তাদেরকে স্থানীয়রা বাঘ বিধবা বলে। তেমনই একজন ৮৫ বছর বয়সী বাঘ বিধবা নয়াবরু। ৩৫ বছর আগে বাঘে খায় তার স্বামীকে। পাননি স্বামীর দেহাবশেষও। শুধু, গোলপাতা কাটতে যাওয়ার আগে স্বামীর শেষ কথাগুলো আজো কানে বাজে।

এই বাঘ বিধবা বাঘের মুখে হারিয়েছেন এক ছেলেকেও। আর এক ছেলে, বাঘের হামলায় আহত।

৩৫ বছরে আগে বাঘ বিধবা নয়াবরুর স্বামী যখন সুন্দরবনে জীবীকার তাগিদে যান, তখন জঙ্গলে যেতে কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমতির বালাই ছিলো না।

২০০২ সালে বাঘ বিধবা মাফুজা বেগমের স্বামী যখন মাছ ধরতে বনে যান, তখন জঙ্গলে যেতে বন বিভাগের অনুমতি পত্রের বিধান চালু হয়েছে। মাফুজার স্বামীর সেটা ছিলো বলেই, ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহযোগহীতা পান বন বিভাগের কাছ থেকে। পেয়েছিলেন স্বামীর দেহাবশেষ।

বাঘের বয়স ১২ বছরের বেশি হলেই তার শিকার ধরার দাঁত পড়ে যায়। ফলে, তখন বনের শিকার আটকাতে পারে না। খাবারের খোঁজে সেসব বাঘ চলে আসে জনপদে, সহজ শিকারের আশায়। তখন মানুষের পাশাপাশি বাঘও সমান বিপন্ন অবস্থায় পড়ে।  


বাঘের ভয় বড় হলেও, কুমিরের ভয় কম নয়। কিন্তু তা আলোচনায় উঠে আসে না। কিন্তু অনেকেই কুমিরের পেটে প্রাণ হারান খালে, নদীতে মাছ, কাকড়া কিংবা অন্য কিছু সংগ্রহ করতে গিয়ে।
 

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is