ঢাকা, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-26

, ১৫ মহাররম ১৪৪০

দায়িত্বে অবহেলা প্রমাণিত হয়েছে: সংসদীয় কমিটি

প্রকাশিত: ১০:২৪ , ৩১ আগস্ট ২০১৮ আপডেট: ১০:২৪ , ৩১ আগস্ট ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: বড় পুকুরিয়ায় কয়লা উধাওয়ের ঘটনায় ‘চুরি’ এখনও প্রমাণিত না হলেও দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের অবহেলা প্রমাণিত হয়েছে বলে মনে করছে সংসদীয় কমিটি।

বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকের পর কমিটির সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দুর্নীতির বিষয়টা তদন্ত সাপেক্ষ। কিন্তু এটা প্রমাণিত যে কর্মকর্তারা দায়িত্বে অবহেলা করেছেন। এবং এটা অপরাধ হিসেবে গণ্য না হওয়ার কারণ নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণেই কয়লা মজুতের বিভ্রান্তিকর তথ্য এসেছে।’

দায়িত্বে অবহেলার জন্য প্রচলিত আইনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের শাস্তি হওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করছে কমিটি।

তাজুল বলেন, সিস্টেম লসের বিষয়টি যদি মজুতের হিসাবে লেখা থাকত, তাহলে বিভ্রান্তির সুযোগ থাকত না।

আর তদন্তে ‘তসরুফ’ প্রমাণ হলে আইন অনুযায়ী সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে কমিটির সদস্য হুইপ আতিউর রহমান আতিক, শিবলী সাদিক এবং নাসিমা ফেরদৌসী বৈঠকে অংশ নেন।

কয়লা উধাওয়ের ঘটনায় চলমান তদন্তের প্রতিবেদন আগামী এক মাসের মধ্যে কমিটিতে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, কয়লা না পাওয়ায় গত জুলাই মাসে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর কয়লা উধাও হওয়ার বিষয়টি নিয়ে শোরগোল শুরু হয়। দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া খনির কয়লা দিয়েই পাশের বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চলত।

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ইতোমধ্যে বলেছেন, অনেক দিন ধরেই কয়লা নিয়ে ‘দুর্নীতি’ চলছিল।

কয়লা উধাওয়ের এ ঘটনায় গত ২৪ জুলাই খনির বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ১৯ জনকে আসামি করে দুর্নীতি দমন আইনে মামলা করেন কোম্পানির ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আনিছুর রহমান।

প্রাথমিক তদন্তে এক লাখ ৪৪ হাজার টন কয়লা উধাও হয়ে যাওয়ার প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়ে মামলার ১৯ আসামিসহ পেট্রোবাংলার কর্মকর্তাদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।

এই বিভাগের আরো খবর

বাংলাদেশেও বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ পোশাক কারখানাগুলো আছে: বার্নিকাট

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ কারখানারগুলো মধ্যে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলো রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is