ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-21

, ১০ মহাররম ১৪৪০

২০ বছরেও সাংবাদিক মুকুল হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়নি

প্রকাশিত: ১১:৪৬ , ৩০ আগস্ট ২০১৮ আপডেট: ১১:৪৬ , ৩০ আগস্ট ২০১৮

যশোর প্রতিনিধি: যশোরের দৈনিক রানার পত্রিকার সম্পাদক আরএম সাইফুল আলম মুকুল হত্যার ২০ বছর পার হলেও আজও এর বিচার হয়নি। নানা জটিলতা ও প্রতিবন্ধকতায় আটকে গেছে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে করা মামলার বিচারকাজ।

১৯৯৮ সালের ৩০ আগস্ট রাতে সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হন রানার পত্রিকার সম্পাদক আরএম সাইফুল আলম মুকুল। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের বিচার পায়নি তার পরিবার। 

এদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর রফিকুল ইসলাম পিটু সাংবাদিকদের জানান, দ্রুত মামলা সচল করা সম্ভব হবে। শিগগিরই এ মামলার আরগুমেন্ট শুরু হবে। এরপরই রায়ের মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি হবে। 

বৃহস্পতিবার বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে সাংবাদিক মুকুল হত্যাকাণ্ডের ২০তম বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে প্রেস ক্লাব যশোর ও সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরসহ বিভিন্ন সংগঠন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শোক র‌্যালি, স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৮ সালের ৩০ আগস্ট রাতে রানার সম্পাদক সাইফুল আলম মুকুল শহর থেকে বেজপাড়ার নিজ বাসভবনে যাওয়ার পথে চারখাম্বার মোড়ে দুর্বৃত্তদের বোমা হামলায় নিহত হন। পরদিন নিহতের স্ত্রী হাফিজা আক্তার শিরিন অজ্ঞাতদের নামে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। 

পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি যশোর জোনের তৎকালীন এএসপি দুলাল উদ্দিন আকন্দ ১৯৯৯ সালের ২৩ এপ্রিল বিএনপি নেতা সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামসহ ২২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এক পর্যায়ে আইনি জটিলতার কারণে মামলার কার্যক্রম থমকে যায়। আর এ কারণে মামলাটি হাইকোর্ট থেকে বাতিল করে দেওয়া হয়।

দীর্ঘদিন পর ২০০৫ সালে হাইকোর্টের একটি বিশেষ বেঞ্চ থেকে মুকুল হত্যা মামলা পুনরুজ্জীবিত করে বর্ধিত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই বছরের ২১ ডিসেম্বর সিআইডি কর্মকর্তা মওলা বক্স নতুন দুইজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দেন। ২০০৬ সালের ১৫ জুন যশোরের স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল (৩) এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে (২) ২২ জনকে অভিযুক্ত করে মুকুল হত্যা মামলার চার্জ গঠন করা হয়। এ সময় মামলা থেকে তৎকালীন মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম ও রূপম নামে আরেক আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ২০১০ সালে মামলার ২৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয় যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতে। 

আদালত সূত্র জানায়, মুকুল হত্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পেতে আসামি ইত্তেফাকের সাংবাদিক ফারাজী আজমল হোসেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে আবেদন করেন। তিনি উচ্চ আদালতে যাওয়ায় ফের মুকুল হত্যা মামলার কার্যক্রম স্থবির হয়ে যায়। পরে যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত ফারাজী আজমল হোসেনের অংশ বাদ রেখে ফের বিচার কার্যক্রম শুরু করেন।

এই বিভাগের আরো খবর

টিআরপি'তে দ্বিতীয় বৈশাখী টিভি

ডেস্ক প্রতিবেদন: টেলিভিশন রেটিং পয়েন্ট (টিআরপি) তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল...

সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীরা শিগগিরই গ্রেপ্তার হবে, আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্রদের আন্দোলনের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলা ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে জানিয়ে...

গুজব ছড়ানো বন্ধ করা গণমাধ্যমের বড় চ্যালেঞ্জ- তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাইবার অপরাধের মাধ্যমে যেসব গুজব ছড়ানো হচ্ছে তা মোকাবেলা করা গণমাধ্যমের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন...

মিয়ানমারে দণ্ডপ্রাপ্ত রয়টার্সের দুই সাংবাদিকের মুক্তির আহ্বান জাতিসংঘের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘের নবনিযুক্ত মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট মিয়ানমারে দণ্ডপ্রাপ্ত রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে...

সাংবাদিক মোস্তাক হোসেন আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক সভাপতি ও দৈনিক ভোরের ডাকের বিশেষ প্রতিনিধি মোস্তাক হোসেন ইন্তেকাল করেছেন...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is