ঢাকা, বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৮ ফাল্গুন ১৪২৫

2019-02-20

, ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪০

‘বালু কণা’ নয়, মহাবিশ্বে ‘তারা’ বেশি

প্রকাশিত: ১০:০৪ , ২৮ আগস্ট ২০১৮ আপডেট: ১০:০৪ , ২৮ আগস্ট ২০১৮

ডেস্ক প্রতিবেদন: মহাবিশ্বে ‘পৃথিবীর বালুকণার চেয়ে তারার সংখ্যা বেশি’ বলে দাবি করেছেন অ্যামেরিকান জ্যোতির্বিজ্ঞানী অধ্যাপক গ্যারি গিলমোর। আশির দশকে এক টিভি অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেছিলেন। তার এমন কথা কতটা সত্যি?
অধ্যাপক গ্যারি গিলমোর ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন জ্যোতির্বিজ্ঞানী। যিনি মহাবিশ্বে তারার সংখ্যা গণনা করছেন অনেক বছর যাবত। যুক্তরাজ্যে কর্তৃক চালানো জরিপ প্রকল্প গাইয়া'র নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। আমাদের মহাবিশ্বে কত তারা আছে, তা গণনার জন্য গাইয়া দল এখন তাদের ডাটা ব্যবহার করে মিল্কি-ওয়ে বা ছায়াপথের একটি বড় ত্রিমাত্রিক মডেল তৈরি করেছে।
বিবিসি জানায়, অধ্যাপক গিলমোর বলছেন প্রতিটি তারার পরস্পরের থেকে দূরত্ব অনুযায়ী পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে দুইশো কোটির চেয়ে বড় তারা রয়েছে। অর্থাৎ ইউরোপের অংশে যদি মোট তারার এক শতাংশ থাকে, তাহলে আমাদের ছায়াপথে হয়ত সব মিলে বিশ হাজার কোটি তারা আছে। কিন্তু এতো কেবল একটি ছায়াপথের হিসাব। মহাবিশ্বে আমাদের ছায়াপথ একটি টিপিক্যাল বা সাধারণ ধরণের। বেশিরভাগ ছায়াপথে আমাদের ছায়াপথের মতই তারা থাকে।
বালু কণা:
বিশ্বের সব সাগরের তীরে ঠিক কি পরিমাণ বালু থাকে। এজন্য সমুদ্র পৃষ্ঠের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং গভীরতা পরিমাপ করতে হবে। সেজন্য সাগর তীর উপকূলীয় এলাকার পরিমাপের হিসাব করতে হবে। তবে, এ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা একমত হতে পারেন না। কারণ উপকূলীয় এলাকার মাপ বাড়ে কমে। স্থির থাকে না।
উপকূল নিয়ে গবেষণা করে এমন প্রতিষ্ঠান ডেল্টারসের গবেষক জেনাডি ডনসিটস বলছেন, পুরো পৃথিবীর উপকূলের পরিমাপ করা বিশাল দুঃসাধ্য এক কাজ। ওপেন স্ট্রীটম্যাপের মত ফ্রিম্যাপ ব্যবহার করে কম্পিউটার ডাটার মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে বরফাচ্ছন্ন এলাকাসহ উপকূলীয় এলাকার দৈর্ঘ্য ১১ লাখ কিলোমিটারের মত। যার মধ্যে তিন লক্ষ কিলোমিটার এলাকা বালুময় সৈকত।  
এখন যদি তারার সংখ্যার সঙ্গে তুলনা করতে হয়, তাহলে দেখা যাবে, মহাবিশ্বে তারার সংখ্যা ১০ সেক্সটিলিয়ন, যেখানে বালুকণার সংখ্যা হবে চার সেক্সটিলিয়ন। তাহলে এটি ঠিকই যে মহাবিশ্বে বালুকণার চেয়ে তারার সংখ্যা বেশি।

 

 

এই বিভাগের আরো খবর

মঙ্গলে মৃত্যু হল অপরচুনিটি’র

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক: গত জুন থেকে এ বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ১ হাজারটি সিগন্যাল পাঠানো হয়েছে মঙ্গল গ্রহে থাকা রোভার...

মঙ্গলে শক্তিশালী রোভার মহাকাশযান পাঠাচ্ছে ‘এসা’

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক: সৌরজগৎ নিয়ে মানুষের জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। চলছে গবেষণাও। আর সেই ধারাবাহিতায় আগামী বছর মঙ্গল গ্রহে নতুন রোভার...

ফেসবুকে আয় করার নতুন পথ

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এবার অর্থ আয় করার নতুন পথ খুলে দেওয়ার কথা ভাবছে কর্তৃপক্ষ। ফেসবুকে নানা রকম গ্রুপ...

সৌরমণ্ডলে রয়েছে পানি আর খনিজ পদার্থের অফুরন্ত ভাণ্ডার!

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক: সৌরমণ্ডলে পানি আর খনিজ পদার্থের অফুরন্ত ভাণ্ডার রয়েছে বলে জানালেন বিজ্ঞানীরা। এই প্রথম তাঁরা দেখালেন, যে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is