ঢাকা, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-26

, ১৫ মহাররম ১৪৪০

আবারও বড় পর্দায় নির্মিত হবে ‘মাসুদ রানা’

প্রকাশিত: ০১:০৬ , ২৩ আগস্ট ২০১৮ আপডেট: ০১:০৬ , ২৩ আগস্ট ২০১৮

বিনোদন ডেস্ক: কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশি পাঠকের বিরাট একটা অংশ শৈশব থেকে বেড়ে উঠেছে মাসুদ রানা সিরিজ পড়ে। এখনো বিশাল একটি পাঠকগোষ্ঠী পড়ে মাসুদ রানা। এখনও এই সিরিজের নতুন মাসুদ রানার প্রথম সংস্করণে ২০ হাজার কপি ছাপা হয়। এই দেশে এটি অনেক বড় সংখ্যা।
এই সিরিজের ‘বিস্মরণ’ অবলম্বনে ১৯৭৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মাসুদ রানা’ চলচ্চিত্রটি তৈরি করেন নায়ক-নির্মাতা-প্রযোজক মাসুদ পারভেজ। এরপর গেল ৪৪ বছরে এই সিরিজ থেকে আর কোনও চলচ্চিত্র নির্মিত হয়নি। কারণ, মাসুদ রানার জনক কাজী আনোয়ার হোসেন আর কাউকে তার রচনা থেকে চলচ্চিত্র নির্মাণের অনুমতি দেননি।

নতুন খবর হলো, আবারও নির্মিত হচ্ছে মাসুদ রানা অবলম্বনে চলচ্চিত্র। তাও একটি নয়, পর পর তিনটি! ২৯ জুলাই এমনটাই নিশ্চিত করেন দেশের অন্যতম চলচ্চিত্র প্রযোজক আবদুল আজিজ। তিনি জানান, জাজ মাল্টিমিডিয়ার ব্যানারে আগামী পাঁচ বছরে মাসুদ রানাকে নিয়ে তিনটি চলচ্চিত্র নির্মিত হবে। এরমধ্যে শুরু হয়ে গেছে এর মূল নায়ক চূড়ান্তকরণ প্রক্রিয়া।

এ প্রসঙ্গে জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আব্দুল আজিজ বলেন, মূলত কাজীদা কাউকে মাসুদ রানা বানানোর জন্য রাইট (কপিরাইট) দেয় না, কারণ কেউ নাকি ঠিক মতো রানাকে উপস্থাপন করতে পারে না। জাজ এর পক্ষ থেকে শুরুতেই একটা বই-এর রাইট এর জন্য যোগাযোগ করা হলে উনি রাইট দেননি। তবে শুভ সংবাদ হলো, এখন কাজীদা জাজের ওপর আস্থা রেখেছেন। উনার বিশ্বাস জাজ ঠিক মতো মাসুদ রানা বানাতে পারবে। এই জন্য প্রথমে উনার তিনটি বইয়ের রাইট দিয়েছেন পাঁচ বছরের জন্য। বই তিনটি হলো ‘ধ্বংস পাহাড়’, ‘ভারতনাট্যম’, ‘স্বর্ণমৃগ’।

আব্দুল আজিজ জানান, জাজ এই তিনটি সিনেমা বানাবে পাঁচ বছরের মধ্যেই। প্রথম সিনেমার নাম, ‘মাসুদ রানা-ধ্বংস পাহাড়’ যার প্রাথমিক বাজেট পাঁচ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কাজী আনোয়ার হোসেন ‘ধ্বংস পাহাড়’ রচনা করেছিলেন ১৯৬৫ সালে। তখনকার আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও প্রেক্ষাপট এখন থেকে ভিন্ন। তখন বাংলাদেশ পূর্ব পাকিস্তান ছিল আর ভারতকে শত্রু দেখান হয়েছে। ভারত পাগল বৈজ্ঞানিক কবির চৌধুরী সাথে মিলে, কাপ্তাই বাঁধ উড়িয়ে দেবে, যেদিন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট কাপ্তাই বাঁধে আসবেন। সেই বাঁধের সাথে প্রেসিডেন্টও ভেসে যাবেন।

আব্দুল আজিজ জানান, এখন তো ভারত আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র্র। এখন তারা এটা করবে না। এছাড়া পরিবর্তন হয়েছে। অনেক টেকনিক্যাল দিক। তাই কাজীদার অনুমতি নিয়ে পূর্বের গল্পের প্লট ঠিক রেখে, আমরা নতুন করে গল্পের বিন্যাস করছি। আমরা শ্যুটিং করবো দেশে বিদেশে। এই শ্যুটিং এর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কাপ্তাই বাঁধের শ্যুটিং এর পারমিশন পাওয়া। কারণ, কাউকে কখনো কাপ্তাই বাঁধে শুটিং করতে দেওয়া হয়নি। এমনকি সেখানে জনসাধারণেরও প্রবেশাধিকার নেই। যাই হোক, আমরা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করে পারমিশন নেওয়ার চেষ্টা করবো।

সম্প্রতি মাসুদ রানার সাথে যুক্ত হয়েছে ইউনিলিভার। এক আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে জাজ ও ইউনিলিভারের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হলো এবং আরও কিছু ব্রান্ড খুব শিগগির যুক্ত হবে বলে জানা গেছে।  আর মাসুদ রানা মুক্তি দেওয়া হবে বিভিন্ন ভাষায়, বিভিন্ন দেশে একই দিনে।

এই বিভাগের আরো খবর

দিশা ও তারা, টাইগার কার?

বিনোদন ডেস্ক: বলিউডের অ্যাকশন হিরো টাইগার শ্রফের সাথে দিশা পাটনির সম্পর্কের বিষয়টা মোটামুটি পরিস্কার সবার কাছে। ভক্তদের কাছে বেশ...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is