বাংলা-ভারত বাণিজ্য সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে যাচ্ছে আপডেট: ০৫:৪৮, ২১ এপ্রিল ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রতিবেশী দেশ ভারতের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বলে মনে করেন নেতৃস্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ জানালেন, বাণিজ্যের এই নতুন দুয়ার উন্মোচনে মূল ভূমিকা রেখেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবারের ভারত সফর। তিনি মনে করেন, এর মধ্য দিয়ে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা যৌথ উদ্যোগে বড় বিনিয়োগে যুক্ত হবার আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছেন। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতিও কমে আসবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক ছিলো ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের ব্যবসায়ীদের সাথে উন্মুক্ত আলোচনা ও মতবিনিময়ে অংশ নেয়া। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর সফরে দ্যা ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি-এফবিসসিআইয়ের নেতৃত্বে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় প্রায় তিনশো ব্যবসায়ীর একটি প্রতিনিধি দল। উদ্দেশ্য ছিলো উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগের সুযোগ সৃষ্টি করা। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের একশ’টি  অর্থনৈতিক অঞ্চলে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেয়ার আশ্বাস দেন।

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে ভারতের সাথে সমঝোতা সই এবং সে দেশের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে যৌথ বিনিয়োগে আগ্রহী করে তুলতে যে সদিচ্ছা প্রধানমন্ত্রী দেখিয়েছেন, তাকে নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন এফবিসিসিআই এর সভাপতি। বললেন, ব্যসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি খুবই সফল একটি সফর।

তিনি বলছেন, বড় বড় উদ্যোগের ক্ষেত্রে এখন ভারত-বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের আওতায় যুক্ত হতে পারবেন।

ব্যবসায়ীরা মনে করেন, যে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসা-বিনিয়োগ সম্প্রসারণ হতে চলেছে, তাতে বাণিজ্য ঘাটতি দূর না হলেও, ব্যবধান কমবে।

তারা বলছেন, বাংলাদেশ এখন স্থিতিশীল ও বিনিয়োগ বান্ধব। এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে বাংলাদেশকে খুব একটা বেগ পেতে হবে না।

 

Publisher : .