ঢাকা, শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-17

, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সংবাদপত্রে আসেনি নৃশংসতার খবর

প্রকাশিত: ০৯:৫৭ , ০২ আগস্ট ২০১৮ আপডেট: ০৩:৩৮ , ০৬ আগস্ট ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট প্রত্যুষে হত্যার পর জনগণকে ঘরবন্দি রাখতে কারফিউ জারি করেছিল খুনিরা। তারা দেশের মানুষকে অন্ধকারে রাখতে চেয়েছিল ইতিহাসের এই জঘন্যতম হত্যাকান্ড সম্পর্কে।
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরদিন দেশের জাতীয় সংবাপত্রগুলো দেখে কারোরই বুঝবার উপায় ছিলনা কিভাবে, কতোটা নৃশংসতার সাথে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের আরও অনেক সদস্যকে হত্যা করা হয়েছিল। তার স্ত্রী, দুই মুক্তিযোদ্ধা পুত্র ও পুত্রদের বধুকে হত্যা করে। এক পুত্রবধুর গর্ভে ছিল সন্তান। বঙ্গবন্ধুর দশ বছরের শিশু সন্তানও রেহাই পায়নি খুনিদের হাত থেকে।
সেই সময় দেশের বাইরে থাকার কারণে সৌভাগ্যক্রমে প্রানে বেঁচে গিয়েছিলেন জাতির জনতের দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। সেনাবাহনীর মধ্য ও নিæসারির কতিপয় কর্মকর্তা বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করলেও হত্যা ষড়যন্ত্রের সাথে যুক্ত ছিলেন রাজনৈতিক ও সামরিক বাহিনীর আরও অনেক কর্মকর্তা। এই হত্যা ষড়যন্ত্রকারীদের মধ্যে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা প্রথমে প্রকাশ্যে রাস্ট্র ক্ষমতায় আসলেও গণমাধ্যমে এর পেছনে গোটা  সশস্ত্র বাহিনীর যুক্ত থাকার কথা প্রচার করে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরদিন দেশের জাতীয় সংবাদপত্রগুলো ফলাও করে শুধু বঙ্গবন্ধুর খুনীদের ক্ষমতা দখলের খবর ফলাও করে প্রচার করে। যার ভেতরে প্রায় না বলার মত করে শুধু বঙ্গবন্ধুর নিহত হবার কথা উলে¬খ করা হয়েছিল ক্ষমতার পট পরিবর্তনের কারণ হিসেবে।  
১৫ আগস্ট নারকীয় হত্যাকান্ডের প্রকৃত খবরই শুধু খুুনীরা চেপে রাখেনি, সাধারণ মানুষকে ঘরে আটকে রাখতে নানা কৌশল নেয়, এক ভীতিকর পরিবেশের সৃষ্টি করেছিল, জারি করেছিল কারফিউ। সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রাকে, অধিকারকে খর্ব করেছিল নানা অবৈধ সিদ্ধান্ত ঘোষণার মধ্য দিয়ে। এমনকি স্বাধীন বাঙালী জাতির সর্বকালের মহানায়ক বঙ্গবন্ধুর দেহ লোক চক্ষুর অন্তরালে নিয়ে তড়িঘড়ি করে দাফন করেছিল সেই সময়ের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়।

এই বিভাগের আরো খবর

১৫ আগস্টের পর প্রশ্নবিদ্ধ ও কলঙ্কিত করা হয় বিচার বিভাগকে

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের বিচার বিভাগ সংবিধানের রক্ষক। কিন্তু ১৯৭৫ সালের আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশের বিচার বিভাগ ও সর্বোচ্চ আদালতের...

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যুদ্ধাপরাধীর পক্ষে অবস্থান নেয় সুবিধাভোগী সরকারগুলো

নিজস্ব প্রতিবেদক: বঙ্গবন্ধুর ডাকে বাংলাদেশ স্বাধীন করতে দেশের স্বাধীনতাকামী মানুষ অবর্ণনীয় দুঃখ, দুর্দশা, কষ্ট ও ক্ষতিকে সাহসের সাথে বরণ...

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরপরই পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খুনিদের সরকার একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত পাকিস্তানের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়।...

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি গড়ে উঠে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বঙ্গবন্ধুকে হত্যা পরবর্তী সুবিধাভোগী খুনী সরকারগুলি আরেকটি ভয়ংকর কলংকজনক চর্চার প্রচলন করে। যা দেশে বিচারহীনতার...

বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর রচিত হয় হত্যার কলঙ্কজনক রাজনীতির

নিজস্ব প্রতিবেদক: বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর একদিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের রাজনীতিকদের অস্তিত্ব বিপন্ন করে খুনী প্রশাসন, অন্যদিকে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is