ঢাকা, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৭, ৮ কার্তিক ১৪২৪, ২ সফর ১৪৩৯
শিরোনামঃ
রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান চায় বাংলাদেশ ও ভারত কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের তাগিদ বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ১৪ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা শিশু অপুষ্টিতে মারা যেতে পারে নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের কাজে নিরপেক্ষতা থাকতে হবে: সিইসি হোয়াইট ওয়াশ হলো বাংলাদেশ গত কদিনে বাংলাদেশে ঢুকেছে প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা ১১ সাক্ষীকে জেরার জন্য খালেদার আবেদন হাই কোর্টে নিষ্পত্তি নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের কাজে নিরপেক্ষতা থাকতে হবে: সিইসি নিরাপদ সড়ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে সবাই আইন মেনে চলুন আবহাওয়ার উন্নতি: দেশের বিভিন্ন রুটে নৌ চলাচল স্বাভাবিক নির্বাচন নিয়ে সরকার নীল নকশা করছে: রিজভী স্পেনের কেন্দ্রীয় শাসন না মানার ঘোষণা কাতালান প্রেসিডেন্টের উন্নত বাংলাদেশ গড়তে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখুন: জয় ইপিএল-এ জয় পেয়েছে চেলসি ও ম্যানসিটি বেড়িবাঁধ ভেঙে বিভিন্ন জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ব্যাহত ফেরি চলাচল টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা টানা বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন বন্দরের কার্যক্রমে স্থবিরতা মালয়েশিয়ায় ভূমিধসে তিন বাংলাদেশীসহ ৪ শ্রমিকের মৃত্যু কাতালোনিয়ার স্বায়ত্তশাসন বাতিল করে দিলো স্পেন

বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই ভাগ্য ফিরে দেশের চা শিল্পের

প্রকাশিত: ০৯:৩৯ , ২০ এপ্রিল ২০১৭ আপডেট: ০৯:৩৯ , ২০ এপ্রিল ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: সব জমিতে চা চাষ সম্ভব নয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের সামান্য কিছু জমি ছাড়া একসময় সিলেট অঞ্চল চা উৎপাদনের জন্য একমাত্র অঞ্চল হিসেবে পরিচিত ছিলো। কিন্তু গত দুই দশকে উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড় শুধু চাষেই নয়, বৈচিত্র্যপূর্ণ উন্নতমানের চা উৎপাদনে ভুমিকা রাখছে। দেশে প্রায় ৬০ হাজার হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ হচ্ছে। চাষের বিস্তৃতি ঘটলেও রপ্তানিতে পিছিয়ে পড়েছে দেশের চা।

সত্তর দশকের শুরুতে যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশে চা রপ্তানি ছিলো অসম্ভব। প্রায় বিশটি চা বাগান ছিলো সবগুলোই বিদেশী কোম্পানীর মালিকানায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশীয় উদোক্তাদের চা শিল্পে এগিয়ে আসার আহবান জানান। ঋন দেন সহজ শর্তে। চা শিল্পের ভাগ্য ফিরতে থাকে। বাড়তে থাকে উৎপাদন, রপ্তানিও। তবে, ২০০৪ সাল থেকে রপ্তানি কমতে শুরু হয়। গত কয়েক বছরে রপ্তানি নেমে আসে প্রায় শুণ্যের কোঠায়।

চা বোর্ডের পরিসংখ্যান মতে, দেশে চায়ের উৎপাদন এবং বৈচিত্র্য বাড়ছে, বাড়ছে চাহিদাও। অভ্যন্তরীণ এই চাহিদা মেটাতেই বেশ কয়েক বছর ধরে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে এই খাতের মানুষদের। চায়ের আমদানিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেড়েছে বলে জানান এই খাতের মানুষেরা।

২০১০ সালে দেশে চায়ের চাহিদা ছিলো ৫৭ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন কেজি, সেবছর উৎপাদন হয় ৬০ দশমিক ০৪ মিলিয়ন কেজি, রপ্তানি হয়েছে ০.৯১ মিলিয়ন কেজি।

দেশে এখন বছরে চা উৎপাদন হয় ৮৫ মিলিয়ন কেজি। চাহিদা আছে ৮১ দশমিক ৬৪ মিলিয়ন কেজি চায়ের। অতিরিক্ত দুই মিলিয়ন কেজি চা রপ্তানি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকাসহ হাতে গোনা কয়েকটি দেশে। অন্যদিকে, গত বছর আমদানি করতে হয়েছে ১১ মিলিয়ন কেজি চা। চা বাগান সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রপ্তানি কমে আসলেও আমদানির কোনো প্রয়োজনই নেই বাংলাদেশের।

অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও উৎপাদন বৃদ্ধি চা শিল্পের মানুষদের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক হলেও, আমদানি বৃদ্ধি ও রপ্তানি কমে যাওয়া হতাশারও কারণ। এছাড়াও এই শিল্পের অনেকের পর্যবেক্ষণ, আমদানিকৃত চা পাতার মধ্যে নিু মানের চা’ও আসে।

 

এই সম্পর্কিত আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is