ঢাকা, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৮, ৪ মাঘ ১৪২৪, ২৯ রবিউস সানি ১৪৩৯
শিরোনামঃ
বরেণ্য সংগীতশিল্পী শাম্মী আক্তার আর  নেই রাজধানীর বাসাবাড়িতে তীব্র গ্যাস সংকট গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ : প্রণব আট ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সমাপ্ত হবে দুই বছরের মধ্যে মেয়র পদে তাবিথই ২০ দলীয় জোটের প্রার্থীঃ রিজভী খালেদা আগামী প্রধানমন্ত্রীঃ মওদুদ অনুপ্রবেশ নিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের কড়া হুঁশিয়ারি এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ কলম্বিয়ায় সেতু ধসে নিহত ৯ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় আইনি বাধা নেই বাল্যবিয়ে আজও দেশের বড় সামাজিক সমস্যা নিরোধ আইন করেও বন্ধ হয়নি বাল্যবিয়ের চর্চা ২০৩০ সালের মধ্যে বাল্যবিয়ে অর্ধেকে নামানোর ঘোষণা সরকারের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের জন্য বাল্যবিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ চাঁদপুরে পিকআপ-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৩ বিয়ের গসিপে বিরক্ত সোনাম কাপুর

অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে চায়ের রপ্তানি কমানো হচ্ছে

প্রকাশিত: ০৯:৪০ , ২০ এপ্রিল ২০১৭ আপডেট: ০৯:৪০ , ২০ এপ্রিল ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বের সব সমাজে সমাদৃত সর্বজনীন পানীয় চা, পানের অভ্যাস শুরু হয় চীন দেশে। পরে বিস্তৃতি ঘটে বিশ্ব জুড়ে। বাংলাদেশসহ ভারত উপমহাদেশে আসে ব্রিটিশের হাত ধরে। দেশের ভেতরে চায়ের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে রপ্তানি কমাতে হচ্ছে। দেশীয় চা পাতার উৎপাদনে আসছে বৈচিত্র্য।

প্রায় ৫ হাজার বছর আগে চীনে একদল সাধু ঘটনাচক্রে চা পাতার সাথে পরিচিত হন। শুরু হয় চা পানের অভ্যাস, তারপর সে সময়কার চীনের সম্রাট ‘শেন নাং’ চা পানে রোগ প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দিলে, চা পাতার পরিকল্পিত চাষ ও পানীয় হিসেবে ব্যবহারের ব্যাপ্তি ঘটতে থাকে চীনে। দেশের গবেষকরা চায়ের প্রবর্তন নিয়ে ঐতিহাসিক মজার মজার প্রাচীন গল্পগুলো এভাবেই জানান।  

১৭৫৭ সালে ব্রিটিশ ভারত দখলের পর তাদের হাত ধরে এই উপমহাদেশের মানুষ চায়ের সাথে পরিচিত হতে শুরু করে। বাংলাদেশ ভূখন্ডে প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৪০ সালে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের পাহাড়ে জুম চাষের সাথে। তারপর ১৮৪৩ সালে কর্ণফুলী নদীর তীরে কোদালায় চাষ শুরু হয়। তারপর ব্রিটিশরা এই চাষ বি¯তৃত করে সিলেটে। শুরুতে চাষের শ্রমিক আনে ভারত থেকে।

বাংলা ও ভারত বর্ষের মানুষদের চায়ের অভ্যাস করাতে ব্রিটিশরা বিনা খরচায় চা খাওয়াতো এমন গল্পও জানা যায়। এভাবে দেশের মানুষ অভ্যস্ত হতে হতে চা’য়ে নির্ভরতা তৈরী হয়। চা চাষ ও বাণিজ্য প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। ১৯৪৭’এ ব্রিটিশরা ভারত ত্যাগ করে। স্বাধীন ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রীয়ভাবে চা চাষ অব্যাহত রাখে। ১৯৫১ সালে পাকিস্তান সরকার চা বোর্ড গঠন করে, এবং ৫৭ সালে পরবর্তীতে বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই চা বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন। একাত্তরে বাংলাদেশ স্বাধীনের পর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন দেশে চা শিল্প বিকাশে।

দেশে চা চাষের বিস্তার ঘটেছে গত কয়েক দশকে বিভিন্ন অঞ্চলে। চা বাগানের সংখ্যা এখন ১৬৯টি, এর মধ্যে তিনটি সরকারি। বছরে চায়ের উৎপাদন সাড়ে আট কোটি কেজি।

 

এই বিভাগের আরো খবর

নিরাপত্তার জন্য সংসদ ভবন পরিদর্শনের সুযোগ কম সাধারণ মানুষের

নিজস্ব প্রতিবেদক : দূর থেকে দেখে অভিভূত হওয়া ছাড়া জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরে গিয়ে দেখবার সুযোগ সাধারণের জন্য নেই বললেই চলে। অধিবেশন চলার সময়...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is