ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-16

, ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি সাড়ে ৫শ’ কোটি ডলার

প্রকাশিত: ১০:০৮ , ২২ জুলাই ২০১৮ আপডেট: ১০:৫৭ , ২২ জুলাই ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : কিছু পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা থাকলেও, ভারতে পণ্য রপ্তানিতে অনেক পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। রপ্তানির চেয়ে ভারত থেকে আমদানি ১০ গুণ বেশি। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য বলছে- বাংলাদেশ প্রতিবছর ভারত থেকে প্রায় ৬শ’ কোটি ডলারের পণ্য কেনে। বিপরীতে দেশটিতে রপ্তানি হয় মাত্র ৬০ থেকে ৭০ কোটি ডলারের পণ্য। বিশাল বাণিজ্য ঘাটতির জন্য ভারতের রক্ষণশীল নীতি, স্থল বন্দরের দুর্বল অবকাঠামো ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে দুষছেন ব্যবসায়ীরা।

দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় বাজার ভারত। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে প্রত্যাশা অনুযায়ী পণ্য ভারতে রপ্তানি হচ্ছেনা। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে ৬৭ কোটি ২৪ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য। এর আগের বছরে রপ্তানি হয়েছিল ৬৮ কোটি ৯৬ লাখ ডলারের পণ্য। কিন্তু ভারত থেকে প্রতিবছর ৬শ’ কোটি ডলারেরও বেশি পণ্য আমদানি করে বাংলাদেশ। সে হিসেবে বাংলাদেশ এখন ভারতের নবম বৃহৎ রপ্তানি বাজার।
    
ভারতের বাজারে ২১টি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পায় বাংলাদেশ। তারপরেও এত কম টাকার পণ্য রপ্তানি হয় কেন, কেন এত বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি? এ প্রশ্নের উত্তরে অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা বলছেন- বাংলাদেশের পণ্যের মান নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসটিআইয়ের গ্রহণযোগ্যতা ভারতে কম। শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয়া হলেও, রাজ্যভিত্তিক বিভিন্ন চার্জ গুণতে হয় ব্যবসায়ীদের।

এছাড়া, স্থলবন্দরে দুর্বল অবকাঠামো, আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব, লোকবল সংকট এবং দুর্নীতি ও বড় প্রতিবন্ধকতা। বাংলাদেশের অনেক পণ্যের ক্ষেত্রে রক্ষণশীলনীতি অনুসরণ করে ভারত। আছে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা। পাটসহ কয়েকটি পণ্য রপ্তানি প্রায় বন্ধ। চলতিবছর ভারতে নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানি কমেছে প্রায় ১৫ শতাংশ।

এসব সমস্যা দূর করা না গেলে ভারতের বাজারে রপ্তানি বাড়ানো কঠিন বলে মনে করেন তারা। পাশাপাশি ভারতের রক্ষণশীলনীতি পরিবর্তনে কূটনৈতিক উদ্যোগের পরামর্শ দিলেন ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is