ঢাকা, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-21

, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

ডেমু ট্রেনে বাড়েনি যাত্রীসেবার মান, লোকসানে রেলওয়ে

প্রকাশিত: ০৯:৩৪ , ০৮ জুলাই ২০১৮ আপডেট: ১২:২২ , ০৮ জুলাই ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : রেলের আধুনিকায়ন ও যাত্রীসেবার মান বাড়াতে কেনা হয়েছিল ডিজেল ইলেকট্রিক মাল্টিপল ইউনিট বা ডেমু ট্রেন। সাত বছরে ডেমুর যাত্রীসেবার মানতো বাড়েইনি, বরং এই ডেমু ট্রেনের কারণে রেলওয়ের লোকসানের বোঝা বেড়েইে চলেছে। যাত্রীদের কাছে এখন চরম ভোগান্তির নাম ডেমু ট্রেন।

ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে জয়দেবপুর কমিউটার ডেমু টেনটি ছাড়ার কথা সকাল সোয় ১০টায়। কিন্তু ঘড়ির কাটা নির্ধারিত সময় এক ঘন্টারও বেশি পেরিয়ে যখন সাড়ে ১১টা তখনও ট্রেনটির চালক শরিফুল ইসলাম জানেনই না কখন পাবেন স্টেশন ত্যাগের সিগনাল।

আর এই ডেমু ট্রেনটির যারা নিয়মিত যাত্রী তাদের ভোগান্তিও এখন নিয়মিত। এ নিয়ে হাজারো অভিযোগ যাত্রীদের।

২০১০ সালে ৬৫৪ কেটি টাকা ব্যয়ে কেনা ডেমু ট্রেন নিয়ে রেল কর্তৃপক্ষ এখন অনেকটাই বিব্রত। চীন থেকে কেনার সময়ই নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি ভর করেছিল ডেমুতে। যে কারণে আমাদানী করার কয়েক মাসের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায় ১০ সেট ট্রেনই। বর্তমানে চট্টগ্রামের ওয়ার্কশপে একটি ও ঢাকার কমলাপুরের ওয়ার্কশপে পড়ে আছে আরো ৪টি ডেমু ট্রেন।

রেলওয়ের ঢাকা লোকো সেডের সহকারী যান্ত্রিক প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানালেন, প্রায় সাত’শ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে ডেমু ট্রেনের পেছনে। এগুলোর কার্যকরিতার নির্ধারিত সময় ৬ বছরের সাড়ে ৫ বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত ৭ কোটি টাকাও ফেরেনি।

তিনি জানান, চীন থেকে আনা এই দশ সেট ডেমুই মূলত শীতপ্রধান দেশে বা পাতাল রেলওয়ের জন্য। এছাড়া ডেমুর বডি নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে প্লাস্টিক বোর্ড। যা বাংলাদেশের রেলপথে চলাচলের উপযোগী নয় বলেও জানালেন রেলওয়ের এই প্রকৌশলী।

 

এই বিভাগের আরো খবর

কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে চারঘণ্টা পর ফেরি চলাচল শুরু

মাদারীপুর প্রতিনিধি: ঘন কুয়াশার কারণে কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে চার ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। শনিবার- ৪ নভেম্বর দিবাগত রাত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is