ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫

2018-11-15

, ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

আমের প্রক্রিয়াজাতকরণ পদ্ধতি বাড়ানোর উপর জোর

প্রকাশিত: ০৯:১৯ , ০৭ জুলাই ২০১৮ আপডেট: ১১:৩৩ , ০৭ জুলাই ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: আমের বাণিজ্যেও বৈচিত্র্য এসেছে। আম থেকে দেশে তৈরি হচ্ছে জুস, রকমারি আঁচার, আমসত্ত্ব, আইসক্রিমসহ নানা ধরনের বাহারি খবার। কাঁচা, পাকা সব আমই ব্যবহার করা হচ্ছে এসব খাদ্য তৈরিতে। তবে এর পরিমাণ খুব সামান্য। আমের অপচয় রোধ করতে আমের প্রক্রিয়াজাতকরণ পদ্ধতি আরো বাড়ানোর উপর জোর দিচ্ছেন কৃষি কর্মকর্তারা। দেশের আম এখন রপ্তানিও হচ্ছে বিভিন্ন দেশে।

কয়েক দশক আগেও কাঁচা আম থেকে আঁচার এবং পাকা আম শুধু মৌসুমী ফল হিসেবে খাওয়া হতো। এতে বাণিজ্য শুধু আমের বেচাকেনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, আমের প্রচুর অপচয়ও হতো। অথচ মৌসুম ছাড়া বছরের বাকী সময় আমের স্বাদ থেকে বঞ্চিত হতো ভোক্তারা।

আমের সেই বানিজ্যে বৈচিত্র এসেছে। আম এখন শুধু মৌসুমী ফল হিসেবেই খওয়া হয় না আমের মৌসুম ছাড়াও আমের তৈরি নানা পণ্য খেতে পারে দেশের মানুষ।

বেশ কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এখন সারা বছর আম সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে। যদিও তা পরিমাণে খুব সামান্য। ইতিবাচক হলোÑ সরকারি পর্যায় থেকে বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে নেয়া হচ্ছে।

আমের বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আসার পাশাপাশি দেশের আম এখন রপ্তানি হচ্ছে বিদেশের মাটিতে। তবে পরিমানে কম। ফলে চাহিদা থাকার পরও রপ্তানীর ক্ষেত্রে বিশ্ববাজারে শক্ত কোন অবস্থান করে নিতে পারেনি দেশের আম। উত্তম কৃষিনীতি এবং বালাইমুক্ত আম উৎপাদন না করতে পারায় দু’বছর আগে রপ্তানীর ক্ষেত্রে প্রতিবদ্ধকতা তৈরি হয়েছিল। তবে তা কাটিয়ে উঠেছে. যা রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে গেল ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ৩২৫ মেট্রিক টন আম বিভিন্ন দেশে রপ্তানী করা হয়েছে। এই রপ্তানী বড় বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশ। দেশীয় হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপতি? এবং ফজলি আমের বিপুল জনপ্রিয়তা রয়েছে দেশগুলোতে।
সিংক:
নিজেদের এতো আমে থাকা স্বত্ত্বেও আমদানী হয় কিছু । বিশেষ করে যখন আমের মৌসুম থাকে না তখন প্রতিবেশী ভারত ও পুবের দেশ থাইল্যান্ড থেকে আম আনে ব্যবসায়ীরা।  রপ্তানির ক্ষেত্রে দেশীয় আমের পরীক্ষা নীরিক্ষা করা হলেও আমদানীর ক্ষেত্রে সেই ব্যবস্থা নেই দেশে-এমনটাই জানালেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

আমের গবেষণা, উৎপাদন এবং সংরক্ষণ সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে গেল কয়েক দশক ধরে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সঠিক আয়োজন সারা বছর দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিশ্ববাজারেও রাজত্ব্য তৈরির সুযোগ তৈরি করবে দেশের আমের জন্য- এই বিশ্বাস সংশ্লিষ্ট গবেষক ও চাষীদের।         
 

 

 

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is