ঢাকা, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-26

, ১৫ মহাররম ১৪৪০

আম চাষে আগ্রহ বাড়ছে

প্রকাশিত: ০৯:১৭ , ০৭ জুলাই ২০১৮ আপডেট: ১১:৩২ , ০৭ জুলাই ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে বাণিজ্যিকভাবে আমের চাষ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিরাপদ, নিশ্চিত বাণিজ্যের স্বার্থে চাষের ক্ষেত্রে পোকা মাকড় এবং বালাইমুক্ত উন্নতজাতের আম উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক এবং রাসায়নিকের ব্যবহার যুক্ত হয়েছে। বাগান থেকে ফল সংগ্রহ তা নিরাপদে দেশের বিভিন্ন স্থানের ভোক্তাদের হাতে তুলে দিতেও নেয়া হচ্ছে নানামুখী নতুন উদ্যোগ।

রাজশাহী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকা ছাড়া  বেশ বয়েক বছর আগেও বাড়ির আঙ্গিনায় বা আশেপাশের গাছে যে আম হতো তা-ই মূলত চাহিদা মেটাতো স্থানীয় পরিবারগুলোর। কিন্তু আমের পুষ্টিগুন এবং জনপ্রিয়তার কারণেই দিন দিন দেশের বিভিন্ন জেলায় বানিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে আমের চাষ।

বিপুল মুনাফার আশায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফসলের মাঠেও আমের চাষ করা হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে ২০১২-১৩ অর্থ বছরে ১ লক্ষ ৫৬ হাজার হেক্টর জমিতে আমের চাষ করা হয়েছে যা গেল পাঁচ বছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১লক্ষ ৭৪ হাজার হেক্টর। বানিজ্যিকভাবে কি পরিমান জমিতে আমের চাষ করা হচ্ছে তার পরিসংখ্যান নেই। তবে সারা বছর জুড়ে আমের চাষ বাড়াতে বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে কৃষি বিভাগ।  

আমের বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও এসেছে নতুন পদ্ধতি। ব্যক্তিগত ব্যবসার পাশাপাশি এখন বড় বড় আম বাগানগুলো আমের মুকুল আসার আগেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন কোম্পানীর কাছে। ফলে শুরু থেকেই পোকার আক্রমণ এবং প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঠেকাতে বিভিন্ন কীটনাশক ব্যবহৃত হচ্ছে এবং বাড়তি যতেœর ব্যবস্থা নেয়া হয় আম চাষে। ব্যাগিং পদ্ধতিতে আমের চাষও বেশ গুরুত্ব পেয়েছে গেল কয়েক বছরে। ফলে আগের চেয়ে এখন অনেক নির্ভাবনায় বালাই মুক্ত আম বাজারে সরবরাহ করতে পারচ্ছে ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসা বি¯তৃতির সাথে সাথে আম বাণিজ্যে যুক্ত হয়েছে বাড়তি অসঙ্গতি। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে আম পরিপক্ক হবার অনেক আগেই তা কৃত্রিম উপায়ে পাকিয়ে বাজারে আনছে। যা কখনও কখনও স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হয়।

আমের নিরাপদ পরিবেশ রক্ষায় নজরদারী বাড়ানোর পাশাপাশি মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহের আগে আম বাজারে না আনার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is