ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-22

, ১১ মহাররম ১৪৪০

বিলুপ্ত হয়েছে অনেক জাতের আম

প্রকাশিত: ০৯:১০ , ০৭ জুলাই ২০১৮ আপডেট: ১১:৩১ , ০৭ জুলাই ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: আমের ভরা মৌসুম চলছে। দেশীয় মৌসুমী এই ফলের চাষ, বাণিজ্য ও ব্যবহারের ধরনে মাত্র কয়েক দশকে বিপুল পরিবর্তন এসেছে। মৌসুমী ফলের পরিচয় পাল্টে যাবার মত এক বাস্তবতা তৈরি করার চেষ্টা যেমন হচ্ছে, তেমনি নেহায়েত ব্যক্তিগত পরিসরে খাওয়ার জন্য শহরে ও গ্রামে সৌখিন আম চাষের পুরোনো চর্চার জায়গায় ব্যাপক বাণিজ্যিক চাষের ধ্যান-ধারণা ও দৃষ্টিভঙ্গি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।

দেশীয় ফলের ৬০ শতাংশের ফলন মে থেকে আগষ্ট বা বাংলায় জৈষ্ঠ্য থেকে আষাঢ় মাসের মধ্যে হওয়ায় মধুমাস বলে এই সময়ের প্রাচীন পরিচিতি আছে। এর মধ্যে আম এই সময়ের সবচেয়ে লোভনীয় ফল হিসেবে বিবেচিত।

গ্রামে তো বটেই বা শহরের প্রায় প্রতি বাড়ির আঙ্গিনায় কয়েক দশক আগেও এক বা একাধিক আম গাছ দেখা যেতো। শহরের এই দৃশ্য জনসংখ্যা ও নগরায়নের চাপে পাল্টে গেছে অনেক আগেই। গ্রামে এখনও পুরোপুরি না পাল্টালেও আমের সহজলভ্যতা কমে যাচ্ছে। ব্যক্তিগত বিচ্ছিন্ন আমগাছগুলো দেশীয় প্রজাতির। এলাকা ভেদে দেশীয় একই জাতের আমের নামেও ভিন্নতা দেখা যায়। বাড়ির আঙ্গিনার এসব আমগাছ কমে যাবার প্রবণতা বিলুপ্ত করছে প্রাচীন অনেক দেশীয় আমের জাতকে।

দেশীয় প্রজাতির আমের মধ্যে হিমসাগর, ল্যাংড়া, ফজলি, গোবিন্দভোগ, হারিভাঙ্গা, আশ্বিনা বেশি জনপ্রিয়। আমের বাণিজ্যিক উৎপাদন বৃদ্ধির সাথে সাথে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে উদ্ভাবিত  বেশ কিছু নতুন জাতের আম এসেছে দেশীয় বাজারে। আমের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য নতুন নতুন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলেও জানান কৃষি কর্মকর্তা।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আম হলেও নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ার জন্যই দেশের আমের মান বিশেষ ভাল। তবে ভারত, থাইল্যান্ড, ব্রাজিল, কেনিয়া, স্পেনসহ বেশ কিছু দেশ আম উৎপাদনে অনেক এগিয়ে রয়েছে। এক্ষেত্রে দেশের অবস্থান অষ্টম। আম উৎপাদনে দেশে বড় অগ্রগতির সম্ভাবনা দেখছেন গবেষকরা।

দেশীয় প্রজাতির বাইরে বিদেশি জাতের কিছু আম গাছ জায়গা করে নিচ্ছে। সেসব পরিকল্পিত পরিচর্যায় দ্রুত ফল দেয় বলে আমের অনেক বাণিজ্যিক চাষীই সেসব ভিনদেশী জাতের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছে।

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is