ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-22

, ১১ মহাররম ১৪৪০

প্রবাসি আয় বেড়েছে ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ

প্রকাশিত: ০৩:৪৬ , ০৬ জুলাই ২০১৮ আপডেট: ০৩:৪৬ , ০৬ জুলাই ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, গেলো অর্থবছরে দেশে প্রায় ১ হাজার ৪শ’ ৯৮ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছে প্রবাসিরা। যা ২০১৬-১৭ অর্থবছরের তুলনায় ২শ’ ২১ কোটি ডলার বেশি। সে হিসেবে গেলো অর্থবছরে প্রবাসি আয় বেড়েছে ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ। অর্থনীতিবিদরা রেমিটেন্স বাড়ার এই প্রবণতাকে দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক দেখলেও সার্বিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার পাশাপাশি আমদানির চলমান উচ্চ প্রবৃদ্ধি সর্কত ভাবে মনিটরিং করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, বিদায়ী অর্থবছরের শেষ মাস জুনে ১৩৮ কোটি ২০ লাখ ডলার পাঠিয়েছে প্রবাসিরা। যা গেলো বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি। ঈদ-উল ফিতরকে সামনে রেখে অর্থবছরের শেষ দুই মাস মে ও জুনে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স পাঠিয়েছে প্রবাসিরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রবাসি আয়ের পরিমাণ ছিলো ১ হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এ আয়  এসেছে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৭৭ কোটি ডলার, যা ছিলো গেলো তিন বছরের মধ্যে সর্বনিু। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে  প্রবাসি আয় এসেছে ১ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা, আর ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এ আয় ছিলো ১ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা।

বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় এক তৃতীয়াংশ পরিবারই বৈদেশিক আয়ের উপর নির্ভরশীল, তাই রেমিটেন্ট বাড়ায় পরিবারগুলো যেমন  লাভবান হচ্ছে অপর দিকে এ আয় দেশের অর্থনীতিতেই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে বলে মনে করছে অর্থনীতিবিদরা। জানালেন, সিপিডি’র ডক্টর গোলাম মোয়াজ্জেম।

তবে শুধু রেমিটেন্সই নয়, দেশের সার্বিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার পাশাপাশি আমদানির চলমান উচ্চ প্রবৃদ্ধির দিকে বিশেষ নজর দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে অর্থনীতিবিদরা। জানালেন, অর্থনীতিবিদ খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ।

বিশেষ করে অধিক আমদানির ফলে দেশের অর্থ বিদেশে পাচার হচ্ছে কিনা, এ বিষয়ে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিলেন অর্থনীতিবিদরা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

ন্যূনতম মজুরি পুনর্বিবেচনা চেয়ে মন্ত্রণালয়ে ‘আপত্তিপত্র’ জমা

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারের ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি আট হাজার টাকা প্রত্যাহার করে ১৬ হাজার টাকা করার দাবিতে ২১ সেপ্টেম্বর সারাদেশের...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is