ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫

2018-11-13

, ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

কবরের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যার পেছনের কুশীলব শুধু টাকা!

প্রকাশিত: ০৯:৩৯ , ০৬ জুলাই ২০১৮ আপডেট: ০১:৫৯ , ০৬ জুলাই ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বজন-বন্ধুরা যখন প্রিয়জনের লাশ কাধে করে কবরস্থানে আসেন সেটা এক বিশেষ মুহূর্ত। তখন তাদের মনের গভীরে বেদনা ও ভালোবাসায় প্রিয়জনের দেহ চির নিদ্রায় শায়িত করার চিন্তা থাকে। আর কবর দেবার জন্য যে কর্মীরা ব্যস্ত হয়ে উঠেন, তাদের চেষ্টায় থাকে, কাজের বিনিময়ে কার কাছ থেকে কতটা অর্থ নেয়া যায়। কবরস্থানের এই বিপরীতমুখি বাস্তবতা একধরনের মনোকষ্টের কারণ হয়ে দাড়ায় বেদনার্ত সদস্যদের জন্য।

সত্ত্বোর্ধ সুলতানা জাহান। তার বাবা, স্বামীসহ পরিবারের অনেকেই শায়িত আছেন আজিমপুর কবরস্থানে। কিছুদিন আগে মেজো ছেলে মারা গেলে তাকেও সমাহিত করেন এখানে। ১৯৮৪ সাল থেকে এখানে তার নিয়মিত যাতায়াত। প্রিয়জনের স্মৃতির টানে আসেন, কিন্তু মনে কষ্টও আছে কবরস্থানে অনাকাঙ্খিত বাস্তবতার জন্য।

তারমতো অনেককেই খুঁজে পাওয়া যায় কবরস্থানে। তবে স্বজনের কবর থাকায়,  পাছে রক্ষনাবেক্ষনের সমস্যা হতে পারে ভেবে ক্যামেরায় কথা বলতে নারাজ তারা। কেরানীগঞ্জের ববি তার মায়ের কবরের পরিচর্যা নিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন।

কবরস্থানগুলো হাজারো কবরের ভীড়ে রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যার পার্থক্য সহজেই দৃশ্যমান।
তার পেছনের কুশীলব শুধু টাকা।

নানামুখি হয়রানির খবরও পাওয়া যায় কখনো কখনো। এমনকি ঢাকার বাইরে কবর থেকে মরদেহ চুরির খবরও হয়েছে। এজন্য গ্রেফতারের ঘটনাও ঘটেছে। ঢাকার কবরস্থানে এসব ঘটেনা বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

বিভিন্ন মেয়াদি বা অস্থায়ী কবরগুলোতে যখন নতুন লাশ রাখা হয়, তখন পুরোনো দেহের হাড়গোড় কি করা হয়-তার খোজ কর্তৃপক্ষ রাখেননা। ঠিকাদাররাই থাকেন তার দায়িত্বে।

কবরস্থানের সুশৃংখল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার আকুতি ব্যক্তিগতভাবে কেউ কেউ জানালেও এ নিয়ে তেমন সংগঠিত আওয়াজ শোনা যায়না। তবে সবাই মনে করেন এই আবেগময় জায়গাগুলোর কর্মপরিবেশ এমনটাই হওয়া উচিত, যেনো সবাই এখানে এসে কোনো ধরনের হয়রানির আশংকায় না থাকেন বা নির্বিঘেœ নিশ্চিন্তে সময় কাটাতে পারেন চিরনিদ্রায় শায়িত স্বজনদের কথা ভেবে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is