ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-16

, ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

কবরস্থানের পরিবেশ নিয়ে অভিযোগ করে না কেউ

প্রকাশিত: ০৯:৩৫ , ০৬ জুলাই ২০১৮ আপডেট: ১২:৪৭ , ০৬ জুলাই ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: কবরস্থান নিয়ে সাধারণের মধ্যে আছে নানান জল্পনা কল্পনা ও ভয়ের গল্প। অথচ ঠিক তার বিপরীতেই কবরস্থানগুলোতে যারা দেখভালের জন্য থাকেন, নিয়মিত কাজ করেন তাদের কাছে সেই জগতটি চিরচেনা স্বাভাবিক জায়গা। বংশ পরস্পরায় থাকেন অনেকে, তাদের শিশু সন্তানরাও বেড়ে ওঠে কবরস্থানে।

হাসান আলী, বয়স সত্তুর। ৪৩ বছর ধরে বনানী কবরস্থানের মালী। কবর রক্ষণাবেক্ষণ  তার দায়িত্ব। এই কাজই তার জীবিকা নির্বাহের উৎস।

হাসান আলীর ৮ সন্তান। নিজে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিতে পারেননি। কিন্তু কবরস্থানে কাজ করেই সন্তানদের উচ্চ শিক্ষিত করেছেন, সরকারি বেসরাকারি চাকরিতে আছেন কেউকেউ।

তিন দশক ধরে আজিমপুর কবরস্থানে কাজ করছেন বাদশাহ মিয়া। সবাই এখানে তাকে পাগলা বাদশাহ নামে চেনে। বংশ পরম্পরায় এখানেই তার কাজ জুটেছে।

কবরস্থানকে ঘিরে অজানা ভয় মানুষের মনে থাকলেও সেখানেই অবলীলায় বসবাস করে,  খেলাধুলা করে বেড়ে ওঠার মতো অনেকেই আছে। জুরাইন কবরস্থানের চল্লিশোর্ধ দাদন তেমনি একজন।

কবরস্থানের কাজ তাদের জন্য পেশা। এখান থেকে যথাসম্ভব অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করেন তারা। কিন্তু তারা মনে করেন ধর্মীয় দৃষ্টিভংগী থেকে তারা সেবা দিচ্ছেন।

কবরস্থানের এই মানুষগুলো যেনো স্বাভাবিক সমাজ থেকে খানিকটা বিচ্ছিন্ন। ক্যামেরার সামনে কথা বলার চিন্তা করতেও পারেননা তারা। তাই অনেকে সংকোচবোধ করেন। এমনও ব্যক্তি আছেন পরিবারের কাছে গোপন রেখে কবরস্থানে কাজ করছেন শুধু অর্থ উপার্জনের জন্য। এখানকার কর্মীরা কেউই সরকারি চাকুরে নয়। তারা ঠিকাদারদের কবরস্থান কেন্দ্রীক ব্যবসার কর্মী।

তবে, শুনতে অলৌকিক কিংবা ভুতুরে মনে হলেও আসলে যুক্তিসংগত বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা কখনো কখনো ভীতিকর চিন্তার খোরাক হয়। যা মুখে মুখে কাল্পনিক গল্পের রুপ নেয়।

চিরনিদ্রায় শায়িতদের স্বজনরা যখন কবরস্থানে আসেন তাদের কাছে এসব এলাকার প্রাণ প্রকৃতি এক ধরনের অনুভূতি জাগায়, যা কবরস্থানের অধিবাসীদের মধ্যে অনুপস্থিত।

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is