ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-22

, ১১ মহাররম ১৪৪০

ঢাকায় স্থায়ীভাবে কবর সংরক্ষণের সুযোগ বন্ধ

প্রকাশিত: ০৯:৩১ , ০৬ জুলাই ২০১৮ আপডেট: ১২:৪৬ , ০৬ জুলাই ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: কবরের জন্য স্থায়ীভাবে জমি বরাদ্দ দেবার পুরনো চর্চা ঢাকা শহরে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে ২০০৮ সালে। দূর অতীতে যারা স্থায়ীভাবে কবরের জমি কিনে রাখতে পেরেছিলেন শুধু তাদেরই এই স্মৃতিচিহ্ন ধরে রাখবার সুযোগ থাকবে ভবিষ্যতেও। এছাড়া অন্য সকলের জন্য বিভিন্ন মেয়াদে ক্ষণস্থায়ী কবরের আয়োজন আছে কেবল।

নগরীর সবচেয়ে পুরোনো কবরস্থান আজিমপুর। জমির পরিমান ৩৭ একর। নানান ধরনের ধারনা ও বিশ্বাস আছে এই কবরস্থান নিয়ে। তাই ঢাকার বাইরে থেকেও  দেহ নিয়ে আসেন অনেকে। আজিমপুর মানেই যেনো সাধারন গণমানুষের কবরস্থান। এই ধারনা অতি পুরোনো।

বনানী কবরস্থান সম্পর্কে প্রতিষ্ঠিত ধারনা ঠিক আজিমপুরের বিপরীত। যদিও ধর্মমতেও মৃতদেহের কোনো শ্রেনী বিভাজন নেই বলে সবাই বলে থাকেন। কিন্তু কবরস্থানগুলোর মধ্যে বিদ্যমান শ্রেনী বিভাজনে বনানী পরিচিত উচ্চবিত্ত, প্রভাবশালী ও সমাজের অভিজাত সুবিধাভোগীদের চিরনিদ্রায় শায়িত হবার কবরস্থান হিসেবে।

অভিজাত কবরস্থানই হোক আর সাধারন মানুষের কবরস্থানই হোক কোথাওই মৃত্যুর পর প্রিয়জনের কবর স্থায়ীভাবে সংরক্ষনের সুযোগ একেবারেই নেই। বিকল্প কিছু আয়োজন আছে কিছু কবরস্থানে। বিভিন্ন মেয়াদে কবর সংরক্ষনের এই নতুন নিয়মেও গুনতে হয় বিপুল পরিমান অর্থ।

একসময় বেওয়ারিশ লাশের গন্তব্য ছিলো আজিমপুর কবরস্থান। তা পাল্টে হয়েছে জুরাইন। এই কবরস্থানের এমন বাস্তবতা বিদ্যমান সমস্যাকে আরো সংকটাপন্ন করছে। সামান্য বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে যায় কবরস্থান। অল্প মাটি খুড়লেই নিচ থেকে উঠে আসে পানি। ফলে কঠিন হয়ে উঠে কখনো কখনো মৃতদেহ দাফন করা।

শুধু দুটো কবরস্থানে মুক্তিযোদ্ধাদের দেহ কবর দেবার নিশ্চয়তা রাখা হয়েছে। জুরাইন ও মিরপুরে এই কবরস্থান দুটিতে কোনো মুক্তিযোদ্ধাকে দাফন করা হলে বিনামুল্যে দশ বছর কবর সংরক্ষণ করার নিয়ম রাখা আছে।

স্থান সংকটের দিক থেকে খানিকটা কম সমস্যায় আছে সবচেয়ে নতুন রায়েরবাজার কবরস্থান। ৯৬ একর জায়গা নিয়ে পরিকল্পিতভাবে এই কবরস্থান চালু হয় দুই বছর আগে। তবুও এখানে স্থায়ীভাবে কবরের জায়গা বরাদ্দের সুযোগ নেই।

উত্তরায় দু’টি কবরস্থানে বিভিন্ন মেয়াদে অস্থায়ীভাবে কবর সংরক্ষণে যে ব্যবস্থা তা অত্যন্ত ব্যয়বহুল, যা সাধারণের সক্ষমতার বাইরে।

সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের আওতায় নতুন নতুন এলাকা যুক্ত হচ্ছে। গঠন করা হচ্ছে নতুন ওয়ার্ড। সেগুলোতেও কবরস্থানের আয়োজন রাখছে সংকট মোকাবেলায়।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is