ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-16

, ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

সমন্বহীনতার কারণে এগোয়নি জমির দলিল ডিজিটাল করার উদ্যোগ

প্রকাশিত: ০৯:৩০ , ০৫ জুলাই ২০১৮ আপডেট: ১২:০১ , ০৫ জুলাই ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভূমির সঠিক বন্টন এবং ব্যবস্থাপনায় রেজিস্ট্রি অফিসের প্রচলন বেশ পুরনো। এক সময়ের মৌখিক মালিকানা কাগজে লিপিবদ্ধ হতে শুরু করে ১৭৮১ সালে। এর পর ধারাবহিক ভাবে আসে বেঙ্গল স্টেট অ্যাক্ট, মাদ্রাজ রেগুলেশন এবং ১৮৯৪ সালে সর্ব ভারতীয় ভূমি রেজিস্ট্রি আইন হয়। তখন থেকেই ভূমির দলিল বাধ্যতামূলক হয়। এবং সাধারণ মানুষের কাছে ভূমি রেজিস্ট্রি অফিসের গুরুত্ব বাড়তে থাকে।
বৃটিশদের বাংলার মশনদ চুড়ান্ত দখলের আগে, অর্থাৎ ১৭৫৭ সালের পূর্বে ভারত উপমহাদেশে ভূমি ব্যবস্থাপনা বা মালিকানা ছিলো মৌখিক। যার লিখিত কোনো দালিলিক প্রমানপত্র ছিলোনা। মূলত মানুষের শততা এবং আস্থার ওপর টিকে থাকতো। কিন্তু ইংরেজদের বাংলা দখলের পর পরই দেখাদেয় নানা ধরনের সামাজিক সংকট। বিভিন্ন গোত্র এবং দল উপদলে ভাগ হয় যায় সম্পৃতির বন্ধনে আবদ্ধ উপমহাদেশের সাধারণ মানুষ। জমির মালিকানা এবং জমিদারির প্রশ্নে বিরোধেরও দানা বাঁধতে শুরু হয়। এ সংকট কাটাতেই ১৭৮১ সালে বেঙ্গল স্টেট এ্যক্ট করেন বৃটিশরা।
এর পর এ আইনের বহু সংশোধন এবং সংস্কারও করা হয় সময়ের প্রয়োজনে। ১৮০২ সালে ইংল্যন্ডের ইয়ার্কশায়ারের আদলে বোম্বে বা মাদ্রাজ এ্যক্ট করা হয়। কিন্তু তখনো জমির দলিল করা বাধ্যতামূলক হয়নি।
তবে, ১৯০৮ সালে প্রথম করা হয় ভূমি রেজিস্ট্রেশন আইন। আর ৪৭ সালে দেশ ভাগের পর তখন থেকেই মূলত ভূমির মালিকানা নির্ধারনে রেজিষ্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়। এর পর ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হলে সংবিধানের ১৪৯ অনুচ্ছেদে ভূমি রেজিস্ট্রেশন আইন সন্নিবেশিত হয়।
সরকার ২০১০ সালে ভূমি রেজিস্ট্রেশন ডিজিটালাইজ কারার উদ্যোগ নেয়। সাভার উপজেলার ভূমি দপ্তরকে ডিজিটাইজ করার একটি পাইলট প্রকল্পও শুরু হয়েছিল। কিন্তু আন্তমন্ত্রনালয়ের সমন্বয়হীনতায় তা আর এগোয়নি।

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is