ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-20

, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

আন্তর্জাতিক রুটে বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলোর যাত্রী বাড়ানোর তাগিদ

প্রকাশিত: ১০:২০ , ০৩ জুলাই ২০১৮ আপডেট: ১২:৫৯ , ০৩ জুলাই ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিবছর ৮০লাখ যাত্রী যাওয়া আসা করে। ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট এসোসিয়েশন- আয়াটা’র হিসেব অনুযায়ী, ২০৩০ সাল নাগাদ যাত্রী পরিবহনের হার হবে আড়াইকোটি। আন্তর্জাতিক গন্তব্যে যাত্রী পরিবহনের ৬৫ শতাংশই এখনও বিদেশি এয়ারলাইন্সের দখলে। ৩৫ ভাগ দেশিয় সরকারি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করলে আন্তর্জাতিক গন্তব্যেও বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলোর যাত্রী বাড়ানো সম্ভব।  

প্যাকেজ:
আন্তর্জাতিক গন্তব্যের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে আছে দেশের বেসরকারী এয়ারলাইন্সগুলো। এরমধ্যে সরকারী কর্তৃপক্ষ বিপুল টাকা পায় এসব বেসরকারী এয়ারলাইন্সের কাছে। সিভিল এভিয়েশনের হিসেব অনুযায়ী, বিভিন্ন খাতে বাবদ সিভিল এভিয়েশনের কাছে রিজেন্টের বকেয়া ৯২ কোটি, ইউএস বাংলার ১৪ কোটি ও নভো এয়ারের ৮ লাখ টাকা  বকেয়া আছে।


দেশীয় হেলিকপ্টার কোম্পানিগুলোর জন্য নিজস্ব হ্যাঙ্গার থাকলেও নেই, দেশের বেসরকারী এয়ারলাইন্সের নেই নিজস্ব হ্যাঙ্গার- একারণেও ভাড়া বাবদ বড় অংকের টাকা গুণতে হয় বেসরকারী এয়ারলাইন্সগুলোকে। সিভিল এভিয়েশন বলছে, বেসরকারী এয়ারলাইন্সগুলোর জন্য হ্যাঙ্গারের কাজ চলছে। কিছু খরচ কমানোর কথা ভাবছে সিভিল এভিয়েশন।  

 
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক গন্তব্যে প্রতিদিন যাওয়া আসা করছে ৮০লাখ যাত্রী। ২০৩০ সাল নাগাদ এ হার তিনগুণ বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।


ফ্লাইটের নির্ধারিত সময় রক্ষা, দ্রুত যাত্রীদের লাগেজ ছাড়, এবং অন্যান্য সেবা প্রদানে অতীতের চেয়ে মান কিছুটা বাড়লেও যাত্রীদের প্রত্যাশা আরো বেশি।

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is