ঢাকা, রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-18

, ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

বেসরকারি এয়ারলাইন্স খাতে বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ চান উদ্যোক্তারা

প্রকাশিত: ০৯:৫৯ , ০৩ জুলাই ২০১৮ আপডেট: ১২:৪৮ , ০৩ জুলাই ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০১০ সালের পর অনেকটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে, বেসরকারি এয়ারলাইন্স খাত। রিজেন্ট, নভো ও ইউএস বাংলা বহরে রয়েছে ছোট বড় আধুনিক প্রজন্মের ২০টি উড়োজাহাজ। দেশি বিদেশি ১৬ রুটে ডানা মেলছে বেসরকারি এই তিন এয়ারলাইন্স। গত তিন বছরে অভ্যন্তরীণ রুটে এসব এয়ারলাইন্সে যাত্রী বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। জিডিপিতে এ খাতের অবদান এক শতাংশের একটু বেশি।
২০১০ সালে রিজেন্ট, ২০১৩ সালে নভো ও ২০১৪ সালে ইউএস বাংলা যাত্রা শুরু করে। এই তিন এয়ারলাইন্স সংস্থার ব্যবসায়ী ব্যবসার পরিমাণ বছরে তিন হাজার কোটি টাকা। দেশি বিদেশি ১৬টা রুটে প্রতিদিন যাত্রী পরিবহণ করছে এসব সংস্থার উড়োজাহাজ। এরা গন্তব্য অনুযায়ী উড়োজাহাজ এনেছে কিনে।
সিভিল এভিয়েশনের তথ্য মতে, গেল কয়েক বছরে অভ্যন্তরীন রুটে যাত্রী পরিবহন বেড়েছে একশগুণ। ২০১৫ সালে নভো এয়ার আড়াই লাখ যাত্রী পরিবহন করেছে যা ২০১৭ সালে ছিলো প্রায় পাঁচ লাখ। যাত্রী পরিবহনের একই ইতিবাচক চিত্র ইউএস বাংলারও। অভ্যন্তরীণ গন্তব্য কম থাকায় রিজেন্ট এয়ারের এ বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম হলেও যাত্রী পরিবহণ বেড়েছে অন্তত ৪০ শতাংশ।
যাত্রী পরিবহণ বাড়লেও আর্থিকভাবে খুব ভালো নেই বলে দাবি করছে, সংস্থাগুলো। তাদের বক্তব্য- উড়োজাহাজ পরিচালনা ব্যয়ের ৪০ শতাংশই জ্বালানী খরচ। আন্তর্জাতিক রুটে দেশিয় তেল কোম্পানি পদ্মা আন্তর্জাতিক দরে জ্বালানী দিলেও অভ্যন্তরীণ রুটে তা না দেয়ায় এ খরচ বেশি পড়ে। এভাবে বিদেশি এয়ারলাইন্স সংস্থার সাথে প্রতিযোগিতা ও অভ্যন্তরীণ ব্যবসায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে দাবি তাদের।   
উড়োজাহাজ পরিবহনে নানা ধরনের খরচের পরিমাণ কমাতে সিভিল এভিয়েশনের প্রতি দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছে বেসরকারী এয়ারলাইন্সগুলো।

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is