ঢাকা, বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৮ ফাল্গুন ১৪২৫

2019-02-20

, ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪০

বেসরকারি এয়ারলাইনসের সীমাবদ্ধতা ও প্রতিবন্ধকতা দূর করার লক্ষণ নেই

প্রকাশিত: ০৯:৩৮ , ০৩ জুলাই ২০১৮ আপডেট: ১২:৩১ , ০৩ জুলাই ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: বেসরকারি খাতে এয়ারলাইন্সের ব্যবসার বয়স প্রায় আড়াই দশক। বেসরকারি এয়ালাইন্স খাত বিকাশের দ্বিতীয় ধাপে জিএমজি ও ইউনাইটেড বড় মাইলফলক তৈরি করলেও টিকতে পারেনি, নানা কারণে। অনেক সীমাবদ্ধতা ও প্রতিবন্ধকতা বেসরকারি এয়ারলাইনস যাত্রী পরিবহনে আজও আছে, যা দূর করার লক্ষণ নেই।
১৯৯৮ সালে জিএমজি এয়ারলাইন্স যাত্রা শুরুর মধ্যদিয়ে দৃশ্যপট যেন বদলে যায় পুরো এভিয়েশন খাতে। উড়োজাহাজ সেবার মান বৃদ্ধি জিএমজিকে আলাদা পরিচিতি এনে দেয়। ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম থেকে কলকাতা ফ্লাইট পরিচালনার মধ্যদিয়ে বেসরকারী এয়ারলাইন্স হিসেবে আন্তর্জাতিক রুটেও প্রথম ডানা মেলে জিএমজি। ২০০৭ এ এসে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজও ভালো অবস্থান তৈরি করে। এমনকি দেশের শেয়ার বাজারে প্রথম আকাশ পথের পরিবহন সংস্থা হিসেবে পাবলিক শেয়ার ছাড়ে ইউনাইটেড।
কিন্তু নানা কারণে বন্ধ হয়ে যায় দুটি সংস্থাই।
এখন বেসরকারী তিনটি এয়ারলাইন্স- রিজেন্ট, নভোএয়ার ও ইউএস বাংলা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সংস্থাগুলোর সংশ্লিষ্টরা দাবি করছেন, বেসরকারী খাতে এই ব্যবসাকে লাভজনক করা ও এর বিকাশে অনেক বাধা আছে।
দুই দশকের বেশি সময় পার হলেও দেশের এভিয়েশন খাতকে যুগোপযোগী করে এগিয়ে নেয়ার মতো বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ এখনও পুরোপুরি তৈরি হয়নি বলে মনে করে বর্তমান উদ্যোক্তারা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

কিছুতেই শৃঙ্খলা ফিরছে না সড়কে

নিজস্ব প্রতিবেদক: শৃংখলা শব্দটি যেন একদম বেমানান দেশের পরিবহন খাতে। সড়কে নিয়মনীতি মানার ও প্রতিষ্ঠার কোন চেষ্টাই নেই কারও। পরিবহন মালিক,...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is