ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-19

, ৮ মহাররম ১৪৪০

আড়াই দশকে বেসরকারি খাতে ১০টি এয়ারলাইন্স আসলেও, আছে ৩টি

প্রকাশিত: ০৯:৩১ , ০৩ জুলাই ২০১৮ আপডেট: ১২:২০ , ০৩ জুলাই ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাধীনতার প্রায় আড়াই দশক পর ১৯৯৫ সালে দেশের প্রথম বেসরকারি এয়ারলাইন্স চালু হয়। এরপর একে একে ১০টি এয়ারলাইন্স আসে বেসরকারি খাতে। চালু করে ফ্লাইট। কিন্তু বন্ধও হয়ে যায় একের পর এক। এখন টিকে আছে মাত্র তিনটি। দুই দশকে এ খাতে যাত্রী বেড়েছে অনেকগুণ। স্বাভাবিকভাবে বড় হয়েছে ব্যবসা। তবে দুই দশক আগে এ খাতের বিকাশের ক্ষেত্রে বহু প্রতিবন্ধকতা, এখনও রয়ে গেছে।
১৯৮৮ সালে  বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানোর প্রতিবন্ধকতার অভিজ্ঞতা থেকে ওই বছরই সরকারকে ছোট ছোট দূরত্বে উড়োজাহাজ চালুর ধারনা দেয় বিমানবাহিনী। একই সাথে তৎকালীন সিভিল এভিয়েশন চেয়ারম্যান এয়ার কমোডর মইনুল ইসলাম ব্যক্তিমালিকানায় এয়ারলাইন্স সংস্থা চালুর চিন্তা করেন। তবে সরকারের এ সংক্রান্ত কোন  নীতিমালা ছিলোনা। তাই সিভিল এভিয়েশনের এয়ার নেভিগেশন অর্ডার- এএনও সংশোধনের প্রক্রিয়া শুরু করেন মইনুল ইসলাম। ১৯৯১ সালে সিভিল এভিয়েশন সংক্রান্ত আদেশ সংশোধনের পর উন্মুক্ত হয় বেসরকারী খাতে এয়ারলাইন্সের ব্যবসা।  
চাকুরি থেকে অবসর নেয়ার পর সিভিল এভিয়েশনের সাবেক চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম নিজেই দেশের প্রথম বেসরকারী এয়ারলাইন্স ব্যবসা শুরু করেন। নাম দেন অ্যারো বেঙ্গল। ১৯৯৫ সালের ১৬ জুলাই অ্যারোবেঙ্গলের প্রথম ফ্লাইট চলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটে। চাইনীজ উড়োজাহাজ এনে অ্যারোবেঙ্গল বরিশাল ও চট্টগ্রাম রুটে যাত্রী পরিবহন করছিলো। এক পর্যায়ে নানা বিপত্তির মুখে পড়ে বন্ধ হয় অ্যারোবেঙ্গল।
১৯৯৬ সালে শুরু হয় দ্বিতীয় বেসরকারী এয়ারলাইন্স এয়ার পারাবাতের কার্যক্রম। রাশিয়ান উড়োজাহাজ ছিলো এই সংস্থার বহরে। ওই সময় পারাবাতের একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়। পরে আর খুব বেশিদিন ব্যবসায় টিকতে পারেনি। এরপর একে একে আসে জিএমজি এয়ারলাইন্স, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, বেস্ট এভিয়েশন, রয়েল বেঙ্গল এয়ারলাইন্স, রিজেন্ট এয়ারওয়েজ, নভো এয়ার এবং ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স। বর্তমানে চালু আছে শুধু রিজেন্ট, নভোএয়ার ও ইউএস বাংলা।
এক সময় সাধারন্যে একটা প্রচলিত ধারণা ছিলো- তা হলো যে কোন উড়োজাহাজ মানেই বিমান। উল্টো করে বললে – বিমান মানইে উড়োজাহাজ। স্বাধীনতার পর কয়েক দশক লেগেছে এমন ধারনার পরিবর্তন সাধারণে শুরু হতে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is