ঢাকা, শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-17

, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

আনসারদের কাজের পরিধি বাড়লেও বাড়েনি সুযোগ-সুবিধা

প্রকাশিত: ১০:০১ , ০২ জুলাই ২০১৮ আপডেট: ০৪:০৯ , ০২ জুলাই ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : ব্যাটালিয়ন আনসাররা সব ধরণের সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেলেও সেসব থেকে বঞ্চিত সাধারণ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা সদস্যরা। বেতন নেই, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে দিন চুক্তিতে। তিন বছর পর পর বেতন ও রেশন ছাড়া ছয় থেকে ৮ মাসের লম্বা কর্ম বিরতিতে যেতে হয়। তখন লোক লজ্জায় অন্য কোন কাজও করতে পারেন না। এমন নানা বিড়ম্বনা অনিশ্চয়তায় রাখে তাদের।

রিক্সা চালকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তা গুনতে গুনতে চলে যান ট্রাফিক নিয়ন্ত্রনের দায়িত্বে থাকা এক আনসার সদস্য। অথচ ক্যামেরার সামনে টাকা নেয়ার বিষয়টি চট করে অস্বীকার করেন। অবশ্য খানিক পরে স্বীকার করেন, ব্যাখ্যা দেন জীবন, সংসার আর সামান্য বেতনের কঠিন বাস্তবতার কথা বলে।

রিক্সা চালকরা রাস্তায় তাদের পছন্দসই জায়গায় দাঁড়াতে দিতে আনসারের সদস্যদের টাকা দেয়।  আনসারদের সম্পর্কে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে সাধারণ মানুষের মনে।

আমজাদ হোসেন, আনসারে সৈনিক থেকে পদন্নোতি পেয়ে হয়েছেন প্লাটুন কমান্ডার। চাকরী শেষের পথে। নেই অবসর ভাতা, রেশনের সুবিধা। অবসরে গিয়ে কি করবেন জানেননা। আমজাদ হোসেনের মত অন্যান্য সাধারণ আনসারদেরও একই অনিশ্চয়তা। একে বেতন সামান্য, তার ওপর তিন বছর পর ছয় থেকে ৮ মাসের জন্য কর্মবিরতিতে বাসায় বসে থেকে কিছুই করতে পারেননা। এছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন সেসব জায়গায় নেই মানসম্মত থাকা খাওয়ার ব্যাবস্থা। তাই ভাল চাকরির খোঁজে থাকে সবাই।

২০০২ সালে আনসারের চাকরি ছেড়ে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে কাজ নিয়েছেন বজলুর রশিদ। অল্প বেতন ও নানা হয়রানির অভিযোগ তুললেন সেসময় চাকরি ছাড়ার কারণ হিসেবে।  

ব্যাটালিয়ন আনসারদের তেমন কোন অসুবিধা নেই। অভিযোগ শুধু সিটি ডিউটির টাকা নিয়ে। তাদের ইউনিট গ্রামে বা প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকায় ঢাকায় দায়িত্বপালনকারীরা তাদের পাওনা টাকা পাননা।

আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য কাজ করা সাধারণ আনসারদের সদস্যরা তাদের চাকুরির মেয়াদ বৃদ্ধি চান, প্রত্যাশা করেন অবসর ভাতা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is