ঢাকা, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-26

, ১৫ মহাররম ১৪৪০

অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারে মানবদেহে নেতিবাচক প্রভাব

প্রকাশিত: ০৯:০৫ , ০১ জুলাই ২০১৮ আপডেট: ১২:২১ , ০১ জুলাই ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: রোগ নিরাময়ের জন্য চিকিৎসা পদ্ধতি এবং রোগীদের কাছে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ যেন নির্ভরতা ও স্বস্তির জায়গা। জটিল রোগ থেকে নিরাময় ও প্রাণ বাঁচাতে অ্যান্টিবায়োটিক আবিস্কৃৃত হলেও কারণে অকারণে এর প্রয়োগ চাহিদা বাড়িয়েছে ব্যাপকভাবে। যথেচ্ছ ব্যবহার ও প্রয়োগের কারণে মানবদেহে এর নেতিবাচক প্রভাব দেখছেন ওষুধপ্রযুক্তিবিদ ও চিকিৎসকরা। যা নতুন দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে।

উনিশশত আটাশ সালে বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ছত্রাক থেকে সর্বপ্রথম অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন। তা সে সময়ে পৃথিবীব্যাপি সংক্রমিত হাজারো মানুষের জীবন রক্ষাকারী ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই অভূতপূর্ব আবিষ্কার চিকিৎসা বিজ্ঞানে নতুন পথের সন্ধান দেখায়।

অক্সফোর্ডে গুরুতর রোগাক্রান্ত এক পুলিশ কর্মকর্তার দেহে প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক পেনিসিলিনের প্রয়োগ হয় ১৯৪১ সালে, যার ফলশ্র“তিতে তার অবস্থার নাটকীয় উন্নতি হয়। কিন্তু পাঁচ দিন পর পেনিসিলিয়ামের সরবরাহ শেষ হয়ে গেলে তিনি আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু ঘটে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুদ্ধাহত সৈনিকের ওপর বিজ্ঞানীরা পেনিসিলিনের সফল প্রয়োগ করলে অনেক সৈনিকের জীবন বাঁচে।

অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কারের আগে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে প্রচুর মানুষের মৃত্যু হতো। ফ্লেমিং আবি®কৃত জৈব রাসায়নিক অ্যান্টিবায়োটিক মানবদেহে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার প্রজনন বন্ধ করে, ফলে মানুষ সুস্থ হয়ে ওঠে। ধারাবাহিক গবেষণায়, প্রথম প্রজন্মের অ্যান্টিবায়োটিক থেকে বর্তমানে চতুর্থ প্রজন্মের অতি আধুনিক অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ এসেছে বাজারে।

বহু জটিল রোগ নিরাময়ে অ্যান্টিবায়োটিকের অবদান বিবেচনায় নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়েছিল তাকে। তবে পুরস্কার নেবার সময় দেয়া বক্তৃতায় তিনি  অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহারে মানবজাতির ববিষ্যত ক্ষতিরও আশঙ্কা করেছিলেন।

চিকিৎসা ও ওষুধ বিজ্ঞানে অ্যান্টিবায়োটিকের  আশীর্বাদ সূচক ভূমিকার পাশাপাশি নানা আশংকার চিন্তা দানা বাধছে ক্রমেই, যা থেকে এখনই সচেতনতামূলক পদক্ষেপ নেয়ার তাগিদ আসছে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is