ঢাকা, শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-17

, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

হিলি স্থলবন্দরে শুল্ক জটিলতায় চাল আটকা

প্রকাশিত: ০৯:৩০ , ৩০ জুন ২০১৮ আপডেট: ০৭:০১ , ৩০ জুন ২০১৮

হিলি প্রতিনিধি: শুল্ক জটিলতায় হিলি স্থলবন্দরে ২৩ দিন ধরে আটকা পড়ে আছে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার মেট্রিক টন চাল। চাল আমদানির ক্ষেত্রে ২৮ শতাংশ শুল্ক হার নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিদ্ধান্তের কারণে চাল ছাড় করাচ্ছেনা আমদানিকারকরা। তাদের দাবি এই পরিমাণ শুল্ক দিলে সাড়ে প্রায় সাত কোটি টাকা লোকসান গুণতে হবে। এদিকে, দীর্ঘদিন আটকা পড়ে থাকায় নষ্ট হতে বসেছে এসব চাল।

গত ৪ জুন সচিবালয়ে এক বৈঠকে চাল আমদানিতে ২৮ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। সাত জুন থেকে কার্যকর হওয়া ওই সিদ্ধান্তের ফলে চাল আমদানির ক্ষেত্রে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। ওই ঘোষণার আগেই আমদানি করা চালের ক্ষেত্রেও একই শুল্কহার কার্যকর হওয়ায় হিলি স্থলবন্দর থেকে চাল ছাড় করাচ্ছেননা আমদানিকারকরা। ফলে ২৩দিন ধরে হিলি স্থলবন্দরে আটকে আছে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার মেট্রিকটন চাল।

আমদানিকারকরা বলছেন, আগের ২ শতাংশ শুল্কের জায়গায় ২৮ শতাংশ শুল্ক দিতে হলে তাদের প্রতি কেজিতে খরচ বাড়বে ১৫ টাকা। এরফলে লোকসান হবে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা।

এদিকে, টানা ২৩ দিন বন্দরে আটকে থাকায় নষ্ট হতে বসেছে এসব চাল। পাশাপাশি ট্রাক থেকে চাল খালাস না হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন চালকরাও।

তবে, কাস্টমসের এই কর্মকর্তা জানালেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৮ শতাংশ শুল্ক হারেই চাল ছাড় নিতে হবে আমদানিকারকদের।

এই অবস্থায় শুল্ক জটিলতা কাটিয়ে উঠে দ্রুত এ সমস্যার সমাধান চান ব্যবসায়ীরা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ সরকারের সব প্রস্তুতি থাকলেও রোহিঙ্গাদের আপত্তির কারণে আজ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। মিয়ানমারের রাখাইন...

ফেনীতে মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে একজনের যাবজ্জীবন

ফেনী প্রতিনিধি: ফেনীতে এক মাদরাসা ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ফেনীর নারী ও...

চুয়াডাঙ্গায় চোখ হারানো ১৭জনকে ক্ষতিপূরণের রায় বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গায় ইম্প্যাক্ট মাসুদুল হক মেমোরিয়াল কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে চক্ষুশিবিরে চোখ হারানো ১৭ জনকে ওষুধ (ট্রাইপেন ব্লু)...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is