ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-25

, ১৪ মহাররম ১৪৪০

অস্তিত্ব সংকটে পটুয়াখালীর অধিকাংশ খাল

প্রকাশিত: ১০:২৬ , ২৪ জুন ২০১৮ আপডেট: ০৯:০৭ , ০১ জুলাই ২০১৮

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: অপরিকল্পিত নগরায়ন, দখল ও দূষণের ফলে অস্তিত্ব সংকটে পটুয়াখালী শহরের অধিকাংশ খাল। ইতোমধ্যে অনেক খাল দুই থেকে ছয় ফুট ড্রেনে পরিণত হয়েছে। টিকে থাকা খালগুলোও দখলদারদের থাবায় বিলীন হওয়ার পথে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খালগুলো সচল না রাখতে পারলে এর বিরুপ প্রভাব আগামী প্রজন্মকে ভোগ করতে হবে।

ছোট বড় খালের উপর পুরো পটুয়াখালী শহরের পরিবহন ও ব্যবসা বাণিজ্য নির্ভর করেছে একটা সময়। নথিপত্র খুঁজে জানা যায়, লোহালিয়া ও লাউকাঠী নদী থেকে শহরে ২১টি খাল প্রবেশ করেছিলো। ইতোমধ্যে খন্দকার বাড়ী, সুতারখালী, থানাপাড়া, ফৌজদারীপুল খালসহ বেশিরভাগই পরিণত হয়েছে দুই থেকে ছয় ফুটের কংক্রিটের ড্রেনে।

এদিকে, কাটাখালী, কেওয়াবুনিয়া, ডিবুয়াপুর, বহাল গাছিয়া ও জিলবুনিয়া খাল থাকলেও দখলদারদের কবলে হুমকির মুখে। ফলে বর্ষা মৌসুমে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা, আর শুষ্ক মৌসুমে ময়লা আবর্জনা আটকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। জানালেন, পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খালের গতিপথ যেমন বাধাগ্রস্ত হয়েছে, তেমনি খালগুলোকে সচল রাখতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। জানালেন, ব্রাক ইউনিভারসিটির প্রফেসার এ্যামিরেটাস ডক্টর আইনুন নিশাত।

আর একটি  খালও যেন ড্রেনে পরিণত না হয়, সেজন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে আরো কঠোর নজরদারীর তাগিদ দিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা।
 

 

এই বিভাগের আরো খবর

২৬ দখলদারের কাছে জিম্মি ডিএনডি সেচ প্রকল্প এলাকা

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ সদরের-ডিএনডি সেচ প্রকল্প এলাকায় ২৬ দখলদারদের হাতে জিম্মি প্রায় ২২ লাখ মানুষ। অবৈধ এসব স্থাপনার জন্য পানি...

দুই ঘাটে ফেরি চলাচল ব্যহত

ডেস্ক প্রতিবেদন : পদ্মায় পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতের কারণে শিমুলিয়া কাঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী...

বিভিন্নস্থানে নদী ভাঙন অব্যাহত

ডেস্ক প্রতিবেদন : উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় বেড়েই চলেছে লালমনিরহাট জেলার তিস্তা ও ধরলা নদীর ভাঙন। কোনভাবেই ঠেকানো...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is