ঢাকা, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-19

, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

অস্তিত্ব সংকটে পটুয়াখালীর অধিকাংশ খাল

প্রকাশিত: ১০:২৬ , ২৪ জুন ২০১৮ আপডেট: ০৯:০৭ , ০১ জুলাই ২০১৮

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: অপরিকল্পিত নগরায়ন, দখল ও দূষণের ফলে অস্তিত্ব সংকটে পটুয়াখালী শহরের অধিকাংশ খাল। ইতোমধ্যে অনেক খাল দুই থেকে ছয় ফুট ড্রেনে পরিণত হয়েছে। টিকে থাকা খালগুলোও দখলদারদের থাবায় বিলীন হওয়ার পথে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খালগুলো সচল না রাখতে পারলে এর বিরুপ প্রভাব আগামী প্রজন্মকে ভোগ করতে হবে।

ছোট বড় খালের উপর পুরো পটুয়াখালী শহরের পরিবহন ও ব্যবসা বাণিজ্য নির্ভর করেছে একটা সময়। নথিপত্র খুঁজে জানা যায়, লোহালিয়া ও লাউকাঠী নদী থেকে শহরে ২১টি খাল প্রবেশ করেছিলো। ইতোমধ্যে খন্দকার বাড়ী, সুতারখালী, থানাপাড়া, ফৌজদারীপুল খালসহ বেশিরভাগই পরিণত হয়েছে দুই থেকে ছয় ফুটের কংক্রিটের ড্রেনে।

এদিকে, কাটাখালী, কেওয়াবুনিয়া, ডিবুয়াপুর, বহাল গাছিয়া ও জিলবুনিয়া খাল থাকলেও দখলদারদের কবলে হুমকির মুখে। ফলে বর্ষা মৌসুমে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা, আর শুষ্ক মৌসুমে ময়লা আবর্জনা আটকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। জানালেন, পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খালের গতিপথ যেমন বাধাগ্রস্ত হয়েছে, তেমনি খালগুলোকে সচল রাখতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। জানালেন, ব্রাক ইউনিভারসিটির প্রফেসার এ্যামিরেটাস ডক্টর আইনুন নিশাত।

আর একটি  খালও যেন ড্রেনে পরিণত না হয়, সেজন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে আরো কঠোর নজরদারীর তাগিদ দিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা।
 

 

এই বিভাগের আরো খবর

কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে চারঘণ্টা পর ফেরি চলাচল শুরু

মাদারীপুর প্রতিনিধি: ঘন কুয়াশার কারণে কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে চার ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। শনিবার- ৪ নভেম্বর দিবাগত রাত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is