ঢাকা, রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-23

, ১২ মহাররম ১৪৪০

বাস ধর্মঘটে বরিশালের ৬ জেলার যাত্রীরা ভোগান্তিতে

প্রকাশিত: ০৯:৫০ , ২৩ জুন ২০১৮ আপডেট: ০২:৩৪ , ২৩ জুন ২০১৮

বৈশাখী ডেস্ক: ঝালকাঠি ও বরিশাল বাস মালিক সমিতির দ্বন্দ্বে ভোগান্তিতে পড়েছে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার ১৬ রুটের যাত্রীরা। মাত্র দুই কিলোমিটার পার হতে যাত্রীদের বাস পাল্টানোর পাশাপাশি গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়াও। ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষেরা এই দ্বন্দ্বে পড়েছেন দুর্ভোগে। বরিশাল বাস মালিত সমিতির ডাকা ধর্মঘট এতে যোগ করেছে নতুন মাত্রা।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রী চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ রুট বরিশাল-খুলনা ও বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক। প্রতিদিন এই রুটে চলাচল করে হাজারো যাত্রী। এই রুটের মাঝে থাকা ঝালকাঠির বাস মালিক সমিতির দীর্ঘদিনের দাবি ছিলো তাদের কিছু বাস বরিশাল হয়ে কুয়াকাটায় চলতে দিতে হবে। তবে সে দাবি না মানায়, রুটটিতে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় ঝালকাঠি বাস মালিক সমিতি। বিকল্প হিসেবে কালিজিরায় চালু করা হয় অস্থায়ী বাসস্ট্যান্ড। এর ফলে মাত্র দুই কিলোমিটার চলাচলের জন্য যাত্রীদের পোহাতে হয় বাস বদল আর বাড়তি ভাড়ার ভোগান্তি।

ঈদকে কেন্দ্র করে গত ১৩ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত ৭ দিনের জন্য সমঝোতার ভিত্তিতে এই দ্বন্দ্ব স্বাভাবিক হলেও, ২১ জুন থেকে আবারো বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় ঝালকাঠি বাস মালিক সমিতি। তারা বলছেন বরিশাল হয়ে ঝালকাঠির বাস চলাচলের দাবি মেনে নেয়া হলেই কেবল এই সমস্যার সমাধান হবে।

এদিকে, নতুন করে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়ায় ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বরিশাল রুপাতলী বাসস্ট্যান্ডের মালিক-শ্রমিকরা। ফলে ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুণ। এই অবস্থায় দুই সমিতির দ্বন্দ্বের দ্রুত সমাধান চান এই রুটে চলাচলকারীরা।

 

 

এই বিভাগের আরো খবর

২৬ দখলদারের কাছে জিম্মি ডিএনডি সেচ প্রকল্প এলাকা

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ সদরের-ডিএনডি সেচ প্রকল্প এলাকায় ২৬ দখলদারদের হাতে জিম্মি প্রায় ২২ লাখ মানুষ। অবৈধ এসব স্থাপনার জন্য পানি...

দুই ঘাটে ফেরি চলাচল ব্যহত

ডেস্ক প্রতিবেদন : পদ্মায় পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতের কারণে শিমুলিয়া কাঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী...

বিভিন্নস্থানে নদী ভাঙন অব্যাহত

ডেস্ক প্রতিবেদন : উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় বেড়েই চলেছে লালমনিরহাট জেলার তিস্তা ও ধরলা নদীর ভাঙন। কোনভাবেই ঠেকানো...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is