ঢাকা, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-19

, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

পাহাড়ের বাসিন্দাদের সরিয়ে নিলো কক্সবাজার প্রশাসন

প্রকাশিত: ০৪:৩০ , ১৪ জুন ২০১৮ আপডেট: ০৪:৩০ , ১৪ জুন ২০১৮

কক্সবাজার প্রতিনিধি: টানা বর্ষণে কক্সবাজারে যেকোনো মুহূর্তে পাহাড় ধসে হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে। এমন শঙ্কা থেকে পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন।

বুধবার রাতে কক্সবাজার পৌরসভার ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০ ও ১২ নং ওয়ার্ডে পাহাড়ে বসবাসরতদের ঝুঁকিপূর্ণ তিন শতাধিক পরিবারের দু’হাজার নারী পুরুষকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্টেট সেলিম শেখ বলেন, ৯ জুন থেকে কক্সবাজারে টানা বর্ষণ চলছে। গড়ে ১৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এ কারণে পাহাড় ধসের শঙ্কা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, পাহাড় ধসে যাতে হতাহতের ঘটনা না ঘটে সেজন্য ৯ জুন থেকেই প্রশাসন সতর্কাবস্থানে ছিল। বার বার গণবিজ্ঞপ্তি এবং মাইকিং করে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের সরে যেতে নির্দেশনা দেয়া হয়। কিন্তু তারা নিরাপদ আশ্রয়ে যায়নি। তাই বুধবার রাতে তাদের অভিযান চালিয়ে নিরাপদ স্থানে নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজিম উদ্দিন বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েকটি টিমে বিভক্ত হয়ে অভিযানটি চালানো হয়।

 এদিকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয়গ্রহণকারীদের দেখতে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শন করেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন। এসময় বলেন, অভিযানে বিজিবি ক্যাম্প, পল্লন কাটা, সাহিত্যিকা পল্লী, সবুজবাগ, পাহাড়তলী, ইসলামপুর, বাঁচামিয়ার ঘোনা, বাদশাঘোনা, ঘোনারপাড়া বৈদ্যঘোনা, মোহাজের পাড়া, ডিসি পাহাড়, লাইট হাউজ ও কলাতলীসহ শহরের পাহাড়ে ও পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী প্রায় ২ হাজার নারী পুরুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, তাদের জন্য স্ব স্ব এলাকায় অবস্থিত প্রাথমিক কিংবা মাধ্যমিক স্কুলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পরিদর্শনকালে তিনি আরো বলেন, যারা বেশি ঝুঁকিতে ছিল তাদের নিরাপদ স্থানে আনা হয়েছে। সেখানে তাদের জন্য ইফতার ও সেহেরির জন্য রান্না করা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া বিশুদ্ধ পানীয় জল এবং শিশু খাদ্য সরবরাহ করা হচ্ছে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে চারঘণ্টা পর ফেরি চলাচল শুরু

মাদারীপুর প্রতিনিধি: ঘন কুয়াশার কারণে কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে চার ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। শনিবার- ৪ নভেম্বর দিবাগত রাত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is