ঢাকা, বুধবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৯, ৩ মাঘ ১৪২৫

2019-01-17

, ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০

যে গ্রামকে বলা হয় ‘ভূত গ্রাম’

প্রকাশিত: ১২:৫৩ , ০৯ জুন ২০১৮ আপডেট: ১২:৫৩ , ০৯ জুন ২০১৮

ডেস্ক প্রতিবেদন: সাংহাইয়ের উপকূল থেকে প্রায় ৯০কিলোমিটার দূরত্বে শেঙশান দ্বীপের ছোট্ট গ্রাম হাওটাওওয়ান। সাংহাই থেকে জলপথে গ্রামটিতে যেতে সময় লাগে প্রায় পাঁচ  ঘণ্টা। পুরোপুরি সবুজে আচ্ছাদিত গ্রামটি দীর্ঘদিন ছিল লোকচক্ষুর আড়ালে। 

ঘরবাড়ি, দালান, উঠোন থেকে রাস্তাঘাট সবই ঢেকে গেছে ঘন লতাপাতায়। রাস্তার দু’ধারে মাথা উঁচিয়ে রয়েছে আঙুরলতা। যতদূর চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। চিনের শেঙশান দ্বীপে অবস্থিত জনমানব শূন্য ওই গ্রামটিকে বলা হয় ‘ভূত গ্রাম’।  বিশ্ব উষ্ণায়ণ ও মাত্রা ছাড়া দূষণ যখন সবুজ প্রকৃতিকে ধীরে ধীরে গ্রাস করে নিচ্ছে, এই রকম একটা গ্রামের ছবি দেখে বিস্ময়ে হতবাক গোটা বিশ্ব। চারদিকে পাহাড়ে ঘেরা গ্রামটি এক সময় পাহাড় কেটেই তৈরি করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। ছোট ছোট মাটির বাড়িগুলোও পাহাড়ের ঢাল বেয়ে সাজানো। 

গ্রামটির আয়তন প্রায় ৫০০ বর্গ কিলোমিটার। এক সময় প্রায় তিন হাজার মানুষের বসবাস ছিল এই গ্রামে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলেন পেশায় জেলে। কমপক্ষে ৬০০ পরিবারের বাস ছিল এই গ্রামে। 

১৯৫০ সালে পাহাড় কেটে গ্রামটি তৈরি করা হয়। শহরাঞ্চল থেকে অনেকটাই দূরে প্রান্তিক এই গ্রামটিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল একেবারেই অনুন্নত। সেই সঙ্গে খাবার ও পানীয় জলের জন্যও গ্রামবাসীদের অনেক দূরে পাড়ি দিতে হতো। 

একদিকে পাহাড়ে ঘেরা রুক্ষ পরিবেশ, অন্যদিকে জীবনধারণের নানা অসুবিধার মুখোমুখি হয়ে একে একে গ্রামবাসীরা তাদের ভিটেমাটি ছাড়তে শুরু করেন। শোনা গেছে, কাজের সূত্রেও জেলে পরিবারের অনেকে তাদের ভিটে ছেড়ে শহরে পাড়ি দেন। 

১৯৯০ সাল নাগাদ হাতেগোনা কয়েকটি পরিবার ছাড়া গোটা গ্রাম প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়ে। বেশিরভাগ বাড়িই পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে থাকে। ২০১৫ প্রথম এই গ্রামের খোঁজ পান চিনের এক তরুণ ফটোগ্রাফার কুইং জিয়ান। তিনিই প্রথম এই গ্রামের বেশ কিছু ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করেন। সবুজে ছাওয়া এমন গ্রাম দেখে হতবাক হয়ে যায় গোটা বিশ্ব।
 

এই বিভাগের আরো খবর

ইতালিয়ান ডেজার্ট তিরা মিসু

ডেস্ক প্রতিবেদন: তিরামিসু একটি ইতালিয়ান ডেজার্ট। এক ধরনের পিঠাজাতীয় মিষ্টি (কেক)। আক্ষরিক অর্থে এটিকে বলা হয় ‘পিক মি আপ’। সত্যি, খাবারটি...

কিভাবে ঝাল রেজালা তৈরি করবেন

ডেস্ক প্রতিবেদন: অনেকেই আছেন পোলাওয়ের থেকে খিচুরী খেতে বেশি পছন্দ করেন। খিচুরীর সঙ্গে খাওয়ার জন্য আপনি তৈরি করতে পারেন খাসির বা গরুর ঝাল...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is