ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-16

, ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে খানাখন্দের কারণে যানজট ও দুর্ঘটনা

প্রকাশিত: ০৭:১৬ , ০৭ জুন ২০১৮ আপডেট: ১১:৫৩ , ০৭ জুন ২০১৮

বৈশাখী ডেস্ক: ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ ও খানাখন্দের কারণে যানজট যেন নিত্যদিনের ঘটনা। শুধু যানজটই নয়, খানাখন্দের কারণে মাঝেমধ্যে ঘটে দুর্ঘটনাও। বৃষ্টি আর চারলেন প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় এই মহাসড়কে এবার ঈদ যাত্রায় চরম ভোগান্তির আশংকা করছেন ২১ জেলার যাত্রীরা।

খানাখন্দ ও অতিরিক্ত গাড়ির চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গাজিপুরের চন্দ্রা থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ৭০কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মাঝেমাঝেই সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। মহাসড়কের কদিমধল্যা, পাকুল্যা, নাটিয়াপাড়া, টাঙ্গাইল বাইপাস, ধেরুয়া, ঘারিন্দা বাইপাস ও রসুলপুরসহ বিভিন্ন স্থানে রয়েছে ছোট বড় গর্ত। সেই সাথে চলছে মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণের কাজ। ফলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন দুরপাল্লার যাত্রী ও চালকরা।

ঈদ সামনে রেখে মহাসড়ক সংস্কার করাসহ যানজট নিরসনে ব্যপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আমিনুল এহসান।

এদিকে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুরে ভোগড়া বাইপাস থেকে কালিয়াকৈর মোড় পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার রাস্তায় রয়েছে খানাখন্দ। সামান্য বৃষ্টিতেই জমে যায় পানি। ঘটে ছোট বড় দুর্ঘটনাও।

এছাড়াও, মহাসড়কের উপর যত্রতত্র পার্কিং, উল্টোপথে গাড়ি চলা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় পানি জমে বাড়ছে জনদুর্ভোগ। তবে ঈদযাত্রায় দুর্ভোগ দূর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। মহাসড়কে উন্নয়ন কাজের জন্য সমস্যা হবে না বলেও জানালেন গাজীপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ডি এ কে নাহীন রেজা।

সংশ্লিষ্টদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবার ঈদে যানজটমুক্ত পরিবেশে নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানো সম্ভব হোক, এমনটাই প্রত্যাশা ঘরমুখো মানুষের।  


তবে, চারলেনে উন্নীতকরণ কাজের কারণে ঈদের সময় ভোগান্তি হবে না বলে জানালেন সংশ্লিষ্টরা। ২১ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে কাজ। আর মোট কাজের ৬০ ভাগ এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
সিংক: জিকরুল হাসান, প্রকল্প ব্যবস্থাপক, চার লেন প্রকল্প
এই অংশে বর্তমানে ৩টি ব্রিজ, কোনাবাড়ি ও চন্দ্রাতে ২টি ফ্লাইওভার, ২৮টি বক্স কালভার্ট তৈরির কাজ চলছে।
তবে সংকট লাঘবে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানালেন এ প্রকল্প কর্মকর্তা।
সিংক: রনজিৎ কুমার ভৌমিক, সার্ভেয়ার, সাসেক প্রজেক্ট।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এবং আবুধাবি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্টের ঋণ সহায়তায় বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এরইমধ্যে প্রকল্পের ৫১ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। এ বছরের ডিসেম্বর মাসে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

পরিবহন ধর্মঘটে ভোগান্তি চরমে

নিজস্ব প্রতিবেদক : সড়ক পরিবহন আইন সংস্কারসহ ৮ দফা দাবিতে সকাল ৬টা থেকে সারাদেশে চলছে ৪৮ ঘণ্টার পরিবহন ধর্মঘট। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is