ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ১২ বৈশাখ ১৪২৬

2019-04-24

, ১৮ শাবান ১৪৪০

মাছির মতো খুদে ড্রোন তৈরি

প্রকাশিত: ০১:৩২ , ৩১ মে ২০১৮ আপডেট: ০১:৩২ , ৩১ মে ২০১৮

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক: সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা মাছির মতো খুদে এক রোবটিক যান বা ড্রোন তৈরি করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের তৈরি এ ক্ষুদে রোবটেন নাম দিয়েছেন ‘রোবোফ্লাই’। রোবটকে এতটাই হালকা করে তৈরি করেছেন যে এতে ব্যাটারির ব্যবহার করেননি তাঁরা। এর বদলে তারহীন উপায়ে অর্থাৎ লেজার দ্বারা শক্তি জোগানোর প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন।

দ্যা আইরিশ নিউজ এর প্রতিবেদনে বলা হয়, গবেষকেরা মাছির মতো খুদে ওই ড্রোনের নাম দিয়েছেন ‘রোবোফ্লাই’। এটি তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের ওয়াশিংটনের ইউনিভার্সিটি অব মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও গবেষক সায়েয়ার ফুলারের নেতৃত্বে একদল গবেষক কাজ করেছেন। অস্ট্রেলিয়ান ব্রিসবেনে জুনে রোবোটিকস অ্যান্ড অটোমেশন নামের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এ ড্রোন প্রদর্শন করবেন তাঁরা।

গবেষকেরা বলেন, ড্রোনটি তৈরিতে তাঁদের তিনটি প্রযুক্তিগত বাধা পেরোতে হয়েছে। একটি হচ্ছে প্রপেলার ও রোটর-সংক্রান্ত। সাধারণত ছোট আকারের ড্রোনের ক্ষেত্রে বাতাসের ঘনত্বের কারণে প্রচলিত প্রপেলার ও রোটর কার্যকর হয় না। দ্বিতীয় বাধাটি হলো ছোট ও পাতলা ড্রোনের ক্ষেত্রে এর সার্কিট ও মোটর হালকা করা। তৃতীয় বাধাটি হলো ড্রোনের ব্যাটারি হালকা-পাতলা করা।

ছোট আকারের এ ড্রোন তৈরির ক্ষেত্রে বড় বাধাগুলো দূর করতে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষকেরা কাজ করছিলেন। ২০১৩ সালের গবেষক ফুলার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করার সময় ৮০ মিলিগ্রাম ওজনের পোকার মতো একটি রোবট তৈরি করেছিলেন। সে রোবটে এক জোড়া পাখা বসিয়েছিলেন, যা মাছির মতোই তার ডানা সেকেন্ডে ১২০ বার ওঠানামা করতে পারে। এ পদ্ধতি নতুন ড্রোনে জুড়ে দিয়েছেন তাঁরা।

এর বাইরে প্রচলিত মোটর ব্যবহারের পরিবর্তে গবেষকেরা পিজোইলেকট্রিক সিরামিক ব্যবহার করেছেন, যা বিদ্যুৎস্পর্শের মতোই সাড়া দিতে সক্ষম। এর পরের বাধাটি ছিল ড্রোনকে তারহীন করা। গবেষক ফুলার সার্কিট ব্যবহারের পরিবর্তে লেজার প্রযুক্তির সাহায্য নেন। এ ছাড়া ওই ড্রোনে আট মিলিগ্রাম ওজনের একটি সোলার সেল ব্যবহার করেন। এতে লেজার রশ্মি পড়লেই বিনা তারেই এতে শক্তি তৈরি হয়। তবে লেজারের আওতার বাইরে গেলেই এটি আর চলতে সক্ষম নয়। এ সমস্যা সমাধান করতেও কাজ করছেন গবেষকেরা। এ সমস্যা সমাধান হলেই উড়ে বেড়াতে পারবে রোবট মাছি।

এ মাছির কাজ কী হবে, তা জানতে নিশ্চয়ই কৌতূহল হচ্ছে? এ রোবট মাছিতে নানা রকম  সেন্সর, যোগাযোগের যন্ত্রপাতি যুক্ত করে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা বা তাকে দিয়ে নানা কাজ করানো যাবে। গবেষকেরা বলছেন, ছোট এ ড্রোন প্রযুক্তি বিশ্বে হইচই ফেলে দিতে পারে।

এই বিভাগের আরো খবর

মরণব্যাধি ক্যান্সারের প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কারের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেক্স: মরণব্যাধি ক্যান্সারের প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কারের দাবি করলেন কিউবার একদল বিজ্ঞানী। তারা আরও দাবি করেন, এই যুগান্তকারী...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is