ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-16

, ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের আওতায় থাকবে মুম্বাই থেকে তাজিকিস্তান

প্রকাশিত: ০২:২৫ , ১৩ মে ২০১৮ আপডেট: ০৪:১৮ , ১৩ মে ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভারতের মুম্বাই থেকে ইন্দোনেশিয়া হয়ে তাজিকিস্তান পর্যন্ত বি¯তৃত থাকবে বঙ্গবন্ধু-ওয়ান স্যাটেলাইটের সেবা। নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান থ্যালেস এলনিয়া স্পেস জানিয়েছে, যোগাযোগ প্রযুক্তির সবশেষ সক্ষমতা যুক্ত করা এই স্যাটেলাইট বৃহৎ পরিসরে, বিশ্বমানের, বহুমুখী সেবা নিশ্চিত করবে। প্রতিষ্ঠানটি মনে করে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলোর কাছে বঙ্গবন্ধু-ওয়ান স্যাটেলাইটের সেবা বিক্রি অথবা ভাড়া দিয়ে বাণিজ্যিকভাবে সফল হতে পারবে বাংলাদেশ।

বঙ্গবন্ধু-ওয়ান স্যাটেলাইটের জন্য ২০১৫ সালে রাশিয়ার কাছ থেকে ২ শো ১৯ কোটি টাকায় কেনা কক্ষপথটি ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। তবে, বাংলাদেশের অবস্থান ৯০ ডিগ্রির আশপাশ ঘিরে। থ্যালেস এলনিয়া জানাচ্ছে, বঙ্গবন্ধু-ওয়ানের কাভারেজ এলাকা হবে কিছুটা পূর্বমূখী। ফলে স্যাটেলাইটের আওতায় ভারতের মুম্বাই থেকে ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনের মিন্দানাও দ্বীপ হয়ে তাজিকিস্তান পর্যন্ত বি¯তৃত হবে। বঙ্গোপসাগরের পুরো এলাকাসহ এই সীমানার ভেতরে ভারত, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমা, শ্রীলঙ্কা ছাড়াও তুর্কমেনিস্তান ও কাজাখস্তানের এলাকা বিশেষ এই স্যাটেলাইটের ‘কিউ-ব্যান্ড’কাভারেজ এবং ‘সি- ব্যান্ড’ সুবিধা দেবে।

এর আগে, বিশ্বের ৫৬টি দেশ মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠিয়েছিলো। প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারতের ৮৮টি, পাকিস্তানের ৩টি ও শ্রীলঙ্কার ১টি নিজস্ব স্যাটেলাইট রয়েছে। মিয়ানমার, নেপাল ও ভূটান সম্প্রতি বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট নিয়ে কাজ শুরু করেছে।

বিশ্ব টেলিমিউনিকেশন সংস্থাগুলোর মাধ্যমে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মহাকাশে কেবল ৫০টি দেশের দুই হাজারেরও বেশি স্যাটেলাইট রয়েছে। এগুলো আবহাওয়া, পর্যবেক্ষণ ও নেভিগেশনের জন্য কাজ করে। এসবের মধ্যে শ’ খানেক রয়েছে অব্যবহৃত। গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৬ ’শো স্যাটেলাইট মাহাকাশে উৎক্ষেপিত হয়েছে। এর সাথে ৫৭তম দেশ হিসেবে মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠালো বাংলাদেশ।

বঙ্গবন্ধু-ওয়ান স্যাটেলাইট পরিপূর্ণরূপে চালু হলে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রা থেকে ১১০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের পাশপাশি, টেলিফোন, মোবাইল, ইন্টারনেট সেবা, জ্যোতির্বিজ্ঞান গবেষণাসহ সামরিক প্রয়োজনে সুফল পাবে বাংলাদেশ। এছাড়া মাটি বা পানির নীচে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজ, ছবি তোলা, সংবেদনশীল তথ্য, ঘূণিঝড় ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পূর্বাভাস ও অন্যান্য সেবা পাওয়া যাবে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

কর্মস্থলে যৌন হেনস্তা রুখতে কড়া ব্যবস্থা গুগলের

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: কর্মস্থলে নারীদের যৌন হেনস্তা রুখতে এক সপ্তাহ আগেই প্রতিবাদে নেমেছিলেন গুগলে শীর্ষস্থানীয় ইঞ্জিনিয়ার থেকে প্রায় সব...

কর ফাঁকি বন্ধে সামাজিক মাধ্যমে তল্লাশি করবে ফ্রান্স 

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: কর ফাঁকি এড়ানো ঠেকাতে সামাজিক মাধ্যমে অ্যাকাউন্টগুলোর মাধ্যমে তল্লাশি চালাবে ফ্রান্সের কর কর্তৃপক্ষ। ২০১৯ সালের...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is