ঢাকা, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-26

, ১৫ মহাররম ১৪৪০

বেসরকারি নিরাপত্তা খাতে সরকারের বছরে আয় ৩’শ কোটি টাকা

প্রকাশিত: ১০:০৫ , ০৭ মে ২০১৮ আপডেট: ১১:৫৪ , ০৭ মে ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রয়োজনীয় নীতিমালা, আইন-কানুন তৈরি না হলেও বছরে এই নিরাপত্তা সেবা খাত থেকে ভ্যাট ও ট্যাক্স বাবদ সরকার প্রায় ৩’শ কোটি টাকা আয় করে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ খাতের উন্নয়নে নজর না দিলে নানা অব্যবস্থাপনা আর অনিয়মের ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের  হাতে নিয়ন্ত্রণ চলে যেতে পারে এই ব্যবসার। তাতে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবার আশংকা তৈরি হবে।

২০০১ সালে নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সন্ত্রাসী হামলার পর বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বানিজ্যিক  নিরাপত্তা খাতের চাহিদা বাড়ে। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর অপর্যাপ্ততা ও দুর্বলতা এর অন্যতম বড় কারন। বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসী ও মৌলবাদী হামলার কারনে  বাণিজ্যিক নিরাপত্তা সেবা বেচা-কেনার  ক্ষেত্র বাড়ছে দিন দিন।

এই খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ফলে যেমন শিল্প কারখানা বাড়ছে, তেমনি এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর দারস্থ হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। সব প্রতিষ্ঠানকে একই নিয়মের আওতায় পরিচালনার স্বার্থে সরকারকে কঠোর হওয়ার পরামর্শ খোদ এই খাত সংশ্লিষ্টদের।

বিভিন্ন সময়ে এখাতের ব্যবসা পরিচালনার জন্য  নানা নিয়ম করা হলেও তা বাস্তবায়ন যোগ্য নয় বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট অনেকে। বাণিজ্যিক নিরাপত্তা সেবাকে স্বতন্ত্র খাত হিসেবে আখ্যা দিয়ে এর জন্য আলাদা আইন পাশের দাবি তাদের।

এবিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ২০০৬ সালে প্রণীত আইনটি বাস্তবায়নে তারা উদ্যোগ নেবেন। বানিজ্যিক খাতকে নিয়মের মধ্যে আনতে সব পক্ষের সাথে শিগগিরই আলোচনায় বসবেন বলেও জানান। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কথা বলতে রাজি হন নি ।

সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, তিন দশকে একটু একটু করে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা খাতটি বড় হয়েছে। ব্যবসা ভালো হওয়ায় তা আরো বড় হবে। কিন্তু এই খাতে সুশৃঙ্খল পরিচালনা এখনি নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে জটিলতা বাড়ার আশংকা তৈরী হবে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is