ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-19

, ৮ মহাররম ১৪৪০

নিরাপত্তা সংস্থার জন্য নেই নীতিমালা, অপরাধে জড়ানোর অভিযোগ

প্রকাশিত: ১০:০৩ , ০৭ মে ২০১৮ আপডেট: ১১:৪৫ , ০৭ মে ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : গত তিন দশক ধরে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা সংস্থাগুলো কাজ করলেও তাদের ব্যবসা পরিচালনার জন্য কোনো নীতিমালা তৈরি হয়নি আজও। শুধু  ট্রেড লাইসেন্স নিয়েই অনেকে এই ব্যবসা করছেন। অনেক প্রতিষ্ঠানের নেই সেই কাগজও। ব্যবসা লাভজনক হওয়ায় ভূঁইফোড় প্রতিষ্ঠান যেমন গড়ে উঠেছে, তেমনি নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ডেও জড়িয়ে পড়ছে অপ্রশিক্ষিত কর্মীরা।

মোবাইলে ধারণ করা এই নিরাপত্তা কর্মীর দেয়া তথ্যমতে, মিরপুরের একটি বেসরকারি সিকিউরিটি কোম্পানীতে কাজ করেন তিনি। কোম্পানীর পোশাক খুলে পুলিশের পোশাক পরে চাঁদাবাজি করার সময় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়েন।  এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য চেয়ে পাওয়া যায়নি।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এমন অনেক অপরাধমূলক কর্মকান্ডের খবর জানা যায়, যার সাথে জড়িত বাণিজ্যিক নিরাপত্তা সংস্থার কর্মিরা। ভিন্ন চিত্রও আছে। অনেক সময় অপরাধীদের বাধা দিতে গিয়েও হামলার শিকার হয়েছেন অনেক দায়িত্ববান নিরাপত্তা কর্মী।

এই ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্টরা জানান, সিটিকর্পোরেশনের অফিস থেকে শুধু ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে। ফলে সমাজের যে কোনো শ্রেনী পেশার মানুষই এখন এই ব্যবসার সাথে যুক্ত হচ্ছেন। এইখাতে সরকারের কোনো নীতিমালা না থাকায় সেবার মানদন্ড ঠিক হয়নি।

এসব ব্যবসা পরিচালনার জন্য ২০০৬ সালে একটি আইন পাশ করে সরকার। এর কয়েকটি ধারার বিরোধীতা করে উচ্চ আদালতে রিট করে দেশের শীর্ষ সারির সিকিউরিটি কোম্পানীদের সংগঠন- বাংলাদেশ প্রাইভেট সিকিউরিটি সার্ভিস  প্রভাইডর এসোসিয়েশন। ২০০৮ সালে আদালত ঐ আইনের কার্যকারিতা স্থগিত করায় নিয়ম ছাড়াই চলছে এই খাত।

নিরাপত্তার কাজ করলেও এসব কর্মিদের সম্বল মাত্র একটি বাশি ও একখানা ছোট লাঠি। রাষ্ট্রীয় আইনে এসব কাজের জন্য আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের কোনো বিধান নেই। তবে অনেক প্রতিষ্ঠান সেই বিধানের তোয়াক্কা না করে কর্মীদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়েছেন অন্যের প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা সেবা দিতে ।

কর্মীদের অস্ত্র রাখার জন্য অনেক প্রতিষ্ঠানেরই রয়েছে নিজস্ব অস্ত্রাগার। চাহিদার কারনেই আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে নিরাপত্তা দিচ্ছেন বলে জানান এসব প্রতিষ্ঠানের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is