ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-21

, ১০ মহাররম ১৪৪০

বেসরকারি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ

প্রকাশিত: ১০:০২ , ০৭ মে ২০১৮ আপডেট: ১১:৩৭ , ০৭ মে ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে মাত্র তিন দশকে ৭’শর বেশী বাণিজ্যিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সরকারি, বেসরকারি স্থাপনায় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কাজ করছে। ১০ লাখেরও বেশি মানুষ এসব কাজে কর্মরত আছে।। বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের একটি যায়গা হলেও অল্প বেতন, পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধার অভাব, এবং চাকুরির নিশ্চয়তা না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করা নিরাপত্তা কর্মীদের আছে ক্ষোভ, অভিযোগ আর হতাশা।   

মুলত অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাদের হাত ধরে বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার বাণিজ্য গড়ে ওঠে। রাজধানীর বেশ কয়েকটি স্বনামখ্যাত প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা যায়, নিজস্ব নিয়ম-নীতির মধ্যদিয়ে পরিচালনা করছেন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম। পোশাক, প্রশিক্ষণ আর বেতনও নির্ধারণ করা হয় নিজস্ব নিয়মে।

পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে কর্মী সংগ্রহ করে, আবার কেউ কেউ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এজেন্টের মাধ্যমে সংগ্রহ করে বেকার যুবকদের। কয়েক সপ্তাহের প্রশিক্ষণ শেষে ব্যাংকের এটিএম বুথ, বেসরকারি অফিস, আবাসিক ভবন, এমনকি দুতাবাসের মতো স্পর্শকাতর জায়গার নিরাপত্তার দায়িত্ব তুলে নেন সদ্য শহরে আসা এসব গ্রামের তরুনরা। গত কয়েক বছরে নারীরাও আসছে এই কাজে।

সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা প্রায় সাতশো বাণিজ্যিক নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে অনেকেরই মান নিয়ে আছে প্রশ্ন। আবার আছে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান, যাদের আছে সশস্ত্র ইউনিটও।  

মাসিক চুক্তিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ দেয় প্রতিষ্ঠানগুলো। পরিসংখ্যান বলছে, একজন নিরাপত্তা কর্মির বেতন দৈনিক ৮ ঘন্টা হিসেবে গড়ে নির্ধারণ করা হয় মাসে পাঁচ হাজার টাকা। তবে আছে ভিন্ন চিত্র, ভালো নামীদামি কোম্পানী আর বিদেশী দুতাবাসে একজন কর্মী সর্বোচ্চ বেতন পেয়ে থাকেন ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা।

তবে, ক্ষোভ, অভিযোগ আর হতাশাও আছে এখাতের কর্মীদের। দিনে ৮ ঘন্টার বদলে ১২ থেকে ১৬ ঘন্টা কাজ করতে হয়। সাপ্তাহিক ১ দিন ছুটি দেয়ার বিধান থাকলেও তা অনেকে পায় না।

অতিরিক্ত কাজের চাপ আর শারিরিক সক্ষমতার অভাবে দায়িত্ব ফেলে গভীর ঘুমে ডুবে যান কেউ কেউ।

হাতে গোনা কয়েকটি বানিজ্যিক নিরাপত্তা সংস্থা ছাড়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পেশাদারিত্বের কোনো মনোভাব বা সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি। পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের অভাব নিরাপত্তা কর্মিদের দক্ষতা বৃদ্ধির অন্তরায়।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is