ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-25

, ১৪ মহাররম ১৪৪০

সফটওয়্যার রপ্তানি আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে আটশ’ মিলিয়ন ডলারে

প্রকাশিত: ১০:২৭ , ০৬ মে ২০১৮ আপডেট: ১০:২২ , ০৬ মে ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : দক্ষ জনশক্তি, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ২০০০ সালে সফটওয়্যার রপ্তানি আয় ছিল যেখানে দুই দশমিক আট মিলিয়ন ডলার, এ বছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে আটশ’ মিলিয়নে। আর ২০২১ সালে এর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে পাঁচ বিলিয়ন ডলার।

সর্বপ্রথম বাংলাদেশ থেকে সফটওয়্যার রপ্তানী শুরু হয় ১৯৯৯- ২০০০ অর্থবছরে, যা ছিল অনানুষ্ঠানিক কিন্তু দেশের জন্য আনন্দের অভিজ্ঞতা। পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৩ সালে মাত্র সাত দশমিক দুই মিলিয়ন ডলারের সফটওয়্যার রপ্তানী হয় যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে আটশত মিলিয়নে। দেশীয় সফটওয়্যার দামে ও মানে  সাশ্রয়ী ও সমাদৃত হলেও উদ্যোক্তার তালিকায় বড় কোম্পানির সংখ্যা খুবই কম।

বিদেশের বাজারে দেশীয় সফটওয়্যার নির্মাতাদের তৈরি অফিস ম্যানেজমেন্ট সংক্রান্ত সফটওয়্যারের চাহিদা বেশি যার পরিমাণ প্রায় পঁয়তালি¬শ শতাংশ। চ্যাটিং ও বিলিং সফটওয়্যার, মোবাইল অপারেটর ও ই-কমার্স পরিচালনার সফটওয়্যার সেখানে প্রায় পঞ্চান্ন শতাংশ। সফটওয়্যার ব্যবহার করে সেবা প্রদানে যে বিশাল বাজার সৃষ্টি হচ্ছে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্ভাবনা দেখছেন উদ্যোক্তারা।

দেশে অনলাইন কেনাকাটার বাজার এখন প্রায় চারশত কোটি টাকার। ভবিষ্যতে অভ্যন্তরীণ বাজারের মোট কেনাকাটার এক শতাংশও যদি অনলাইনের মাধ্যমে হয় তবে এর বাজার হবে  দশ হাজার কোটি টাকার। আর কর্মসংস্থান হবে দশ লক্ষ মানুষের।

বিশ্বে তথ্যপ্রযুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট কাজের বাজার প্রায় পাঁচশ বিলিয়ন ডলারের। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারত যারা একাই আয় করে একশত পঁচিশ বিলিয়ন ডলার। শ্রীলঙ্কা, ফিলিপিনসসহ এশিয়ার আরও কিছু দেশ এই খাত থেকে ভাল আয় করছে। বাংলাদেশও বিশ্বের ত্রিশটি দেশে সফটওয়্যার রপ্তানি করছে। সবচেয়ে বড় পাঁচটি বাজার যুক্তরাষ্ট্র,যুক্তরাজ্য, কানাডা,অস্ট্রেলিয়া ও ডেনমার্ক।

বিভিন্ন দেশের প্রাতিষ্ঠানিক ও সরকারী পর্যায়ের ডিজিটালাইজেশনের কাজও দেশীয় একাধিক সফটওয়্যার কোম্পানি সফলতার সাথে করে আসছে।

ভবিষ্যতে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট,আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে বিশ্বের সকল দেশেই বিপুল চাহিদা তৈরি হতে পারে। সেই বিষয়গুলো মাথায় রেখে এখন থেকেই পরিকল্পিতভাবে দেশীয় কর্মদক্ষদের সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন উদ্যোক্তারা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is