ঢাকা, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-26

, ১৫ মহাররম ১৪৪০

বিশ্বজুড়ে তথ্য-প্রযুক্তির বিপ্লবের ঢেউ লেগেছে বাংলাদেশেও

প্রকাশিত: ১০:২৫ , ০৬ মে ২০১৮ আপডেট: ১০:২৩ , ০৬ মে ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্বজুড়ে তথ্য প্রযুক্তির বিপ্লব মানুষের জীবনযাত্রায় বিপুল পরিবর্তন এনেছে, যার ঢেউ দেশেও লেগেছে গত দেড় দশকে। দ্রুত নতুন নতুন পরিবর্তন ভবিষ্যতে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা হয়তো সাধারণ মানুষের কল্পনা সীমার মধ্যেও নেই। তথ্য প্রযুক্তির এই অগ্রগতি বিশাল এক বাণিজ্যের জগত তৈরি করেছে। সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার তৈরির এ বাণিজ্যে দেশের উদ্যোক্তা ও তরুণ প্রজন্ম এগিয়ে আসছে। হার্ডওয়্যার শিল্প তেমন গড়ে না উঠলেও সফটওয়্যার শিল্পখাত বিপুল সম্ভাবনাময়।

উনিশশত পঞ্চাশ থেকে ষাটের দশকে সফটওয়্যার এর প্রচলন শুরু হলেও বিশ্বব্যাপি এর সম্প্রসারণ কম্পিউটারের ব্যাপক ব্যবহার শুরুর পর থেকে। দেশে সফটওয়্যারের ব্যবহার  নব্বইয়ের দশকে শুরু হলেও দেশের প্রায় সব মানুষ এর সাথে এখন পরিচিত।  ব্যাংক বীমাসহ বড় বড় কোম্পানীর হিসাব এর সুবিধার্তে সফটওয়্যারের ব্যবহার শুরু হলেও বর্তমানে প্রায় সব ধরণের কাজে এর ব্যবহার।

দেশের সফটওয়্যার খাত ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। দেশীয় সফটওয়্যার, ই-কমার্স এবং তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা খাতের প্রতিনিধিত্বকারী ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যাণ্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস-বেসিসের বর্তমান সদস্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক হাজার ছিয়াত্তর। প্রতি বছরই সংগঠনটিতে ত্রিশ শতাংশ সদস্য যুক্ত হচ্ছে।

সফটওয়্যার তৈরি খাতের মূল চালিকাশক্তি তরুণ জনগোষ্ঠী। দেশী সফটওয়্যার অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশের বাজারে যাচ্ছে। তবে শিল্প হিসেবে এখনও গড়ে ওঠেনি।

জীবনযাত্রার বহু ক্ষেত্রে সফটওয়্যারের ব্যবহার বাড়ছে। তাই সফটওয়্যারের নির্মাতা বাড়ছে। গড়ে উঠেছে বেসিস নামে সংগঠন। সফটওয়্যার তৈরি খাত দিনকে দিন বিশাল এক কর্মযজ্ঞের হাতছানি দিচ্ছে।

দেশের সফটওয়্যার রপ্তানী হলেও দেশের প্রায় নব্বই ভাগ ব্যাংক ও বড় প্রতিষ্ঠান এখনও বিদেশী সফটওয়্যারের সেবা নিয়ে থাকে যা দেশীয় শিল্পের বিকাশের পথে বড় বাঁধা মনে করেন প্রযুক্তি সংশ্লিষ্টরা।

দেশের সফটওয়্যার ইণ্ডাস্ট্রি থেকে রপ্তানী আয় প্রতি বছরই বাড়ছে। বেসিসের হিসাবে, গত ২০০৪-০৫ অর্থবছরে এ শিল্পে আয় ছিল এক কোটি ছাব্বিশ লাখ ডলার। দশ বছরের ব্যবধানে যা বেড়ে দাড়ায় দশ কোটি ষোল লাখ ডলারে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is