ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-25

, ১৪ মহাররম ১৪৪০

বিজ্ঞাপনের যথার্থ নীতিমালা ও সঠিক আইনি কাঠামো চান পর্যবেক্ষকরা

প্রকাশিত: ০৮:১১ , ০৫ মে ২০১৮ আপডেট: ১১:১২ , ০৫ মে ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : চোখ ধাঁধানো প্রচারের যেমন সুবিধা আছে তেমনি আছে নানান বিড়ম্বনাও। প্রচার বাণিজ্যে সীমাহীন প্রতিযোগিতায় প্রচারের বিষয়স্তুর নৈতিক দিকসমূহ নিয়ে প্রায়ই বিতর্ক ওঠে। এসব মনিটরিংয়ের জন্য দেশে নির্দিষ্ট কোনো নীতি কাঠামো তৈরি হয়নি। ফলে প্রচারবাণিজ্য খাতে, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিড়ম্বনার মুখে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। এখন পর্যন্ত বিজ্ঞাপন নির্মাতা বা প্রচার সংস্থার নিজস্ব নীতি- নৈতিকতা ও বিবেচনা বোধের ওপর ভর করেই চলছে দেশের প্রচার বাণিজ্য খাত। তবে, বহুল আলোচিত বিলবোর্ড বিড়ম্বনা ও অনিরাপত্তার হাত থেকে মুক্তি পেতে শুরু করেছে ঢাকাসহ মেট্রোপলিটন শহরগুলো।

প্রচারের হাজারো আঙ্গিকের মধ্যে মোটামুটি পুরনো কৌশল হলো বিলবোর্ড। জনবহুল এলকায় কিংবা রাস্তার মোড়গুলোয় এসব বিলবোর্ড স্থাপনের সংস্কৃতি গড়ে ওঠে। নিজেদের পণ্যের প্রচারণা শোভা পায় এসব বিলবোর্ডে। তবে সময়ের ব্যবধানে এই কৌশল আবেদন হারিয়েছে। কেননা, নগরীর সৌন্দর্য বিনষ্টসহ ঝড়-বৃষ্টি বা বর্ষণে এসব বিলবোর্ড ভেঙে পরে মানুষের জীবন বিপন্ন কিংবা যানবাহনের ক্ষয়-ক্ষতির নজির রয়েছে।

নিরাপত্তার স্বার্থে নগরের সৌন্দর্যের প্রশ্নে মহানগরে এখন বিলবোর্ড কমে গেছে। মহনগরের বাইরেও রাস্তার মোড়ে চটকদার বিজ্ঞাপনের ঝকঝকে বিলবোর্ডগুলোকে সড়ক দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে দেখেন বিশেষজ্ঞরা। তবে, নগরের রাস্তার দু’পাশে নতুন জমকালো এলইডি বিজ্ঞাপন রাতের বেলায় যানবাহন চালকদের বিপদে ফেলে।

টেলিভিশনের পুরো প্রচার সময়ই রাজস্ব আয় করতে নানাভাবে বিক্রি করা হয় বিজ্ঞাপনের জন্য। তাই আর্থিকভাবে টিকে থাকতে অনুষ্ঠানের চেয়েও ঢের বেশি বিজ্ঞাপন শুনতে বা দেখতে হয় দর্শক- শ্রোতাদের।

দুই-তিন দশক আগে টেলিভিশনে পরিবার পরিকল্পনার বিজ্ঞাপন চলতে শুরু করলে টিভি সেটের সামনে থাকা পরিবারের সদস্যরা বিড়ম্বনায় পড়তেন। নির্মাণগত শৈলীর অভাবেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিলো বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

এই শিল্প সংশ্লিষ্টরা স্বীকার করেন যে এখনো পর্যন্ত এ খাতের নৈতিক দিকগুলো মনিটরিং ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কোনো আইনী কাঠমো তৈরি হয়নি। যা আছে প্রতিবেশীসহ বিশ্বের বহু দেশে।

কেবল সাধারণ ব্যবসার প্রচলিত নিয়ম ছাড়া বিশেষ কোনো আইন-কানুন না থাকায় সৃজনশীল প্রচার বাণিজ্যের মাধ্যমে শুধু নিজের প্রচারই হচ্ছেনা অন্যকে নীচে নামাতে আক্রমণও করা হয়েছে। এধরণের চর্চাকে প্রচার বাণিজ্যের অস্বাস্থ্যকর দিক বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকরা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is