ঢাকা, রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-23

, ১২ মহাররম ১৪৪০

দেশে প্রচার বাণিজ্যের আকার বছরে তিন হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত: ০৮:০৮ , ০৫ মে ২০১৮ আপডেট: ১১:০৮ , ০৫ মে ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রচার বাণিজ্য ও ব্যবস্থাপনার সাথে সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, টাকার অঙ্কে দেশে প্রচার বাণিজ্যের আকার তিন হাজার কোটি টাকার। বড় আকারের প্রচার মাধ্যম হিসেবে কয়েকডজন সরকারি বেসরকারি টেলিভিশন,  বেতার, শত শত সংবাদপত্র রয়েছে। এই মাধ্যমগুলোতে পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয়। প্রচারমাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচারের মধ্যবর্তী ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত বিজ্ঞাপনী সংস্থা বা এড ফার্মগুলো।

বড় বড় বিলবোর্ড আর দেখা যায়না রাজধানী ঢাকার ভেতরে। কমে গেছে অন্য মহানগরগুলোতেও। ঠাঁই হয়েছে এলইডি স্ক্রিন অথবা বাহারি ডিসপ্লের। শিল্পপণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন প্রচারের ডিজিটাল রূপ এটি। গেল সাড়ে চার দশকে দেশে উৎপাদিত ও আমদানীকৃত পণ্যের বাজার বড় হয়েছে। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে পণ্যের বিজ্ঞাপনী বাণিজ্যের প্রতিষ্ঠানগুলো। একাজে এসেছে বিদেশীরাও।

বলা হয় পণ্য উৎপাদন খরচের অর্ধেকটাই যায় প্রচারের জন্য। তাই চাহিদার নিরীখে প্রচারব্যবস্থাপনায় যুক্ত হয়েছে প্রতিষ্ঠানিক জ্ঞান। তাই প্রচার প্রতিযোগিতার যুগে বিপননের প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান যুক্ত করেছে নতন নতুন  ধারণা ও কৌশল।

প্রচার বাণিজ্য খাত নিয়ে কোনো গবেষণা বা জরীপ নেই। আশির দশকে প্রচার বাণিজ্য খাতের সবচেয়ে মন্দাকাল হিসেবে ধরা হয়। তবে গেল কয়েক দশকে দেশের প্রচার বাণিজ্যে যে বিকাশ হয়েছে অঙ্কের হিসেবে তা’ কয়েক হাজার কোটি টাকার।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী ৫৪টি মিডিয়া কোম্পানি থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১৩ কোটি টাকার রাজস্ব এসেছে। বাস্তবে এই খাত আরো বি¯তৃত। কেননা, কেবল ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে অথবা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ ছাড়াই নেই তবুও এ ব্যবসার সাথে যুক্ত এমন উদ্যোগীর সংখ্যা কয়েকশো গুন বেশি। এনিয়ে রাজস্ব বিভাগ থেকে সম্প্রতি বিজ্ঞাপনী বা প্রচার সংস্থাগুলোর সংখ্যা জানতে যৌথ মুলধনী কোম্পানির নিবন্ধকের দপ্তরে চিঠি দিলেও উত্তর মেলেনি এখনো।

বিজ্ঞাপন বাণিজ্যে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগায় এখন সনাতনী ধারণা ব্যবস্থা যেমন বিদায় নিচ্ছে তেমনি এখাতের সাথে যুক্ত হচ্ছে প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন পেশাদার তরুণেরা।

বিপনন প্রতিযোগিতা বা প্রচার বাণিজ্যের প্রসারকে অর্থনীতির বিকাশের সূচক হিসেবে দেখছেন এখাতের উদ্যোক্তা ও বিপননের গবেষকরা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is